শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬

ফ্রান্স-নরওয়ে লড়াই: এমবাপে ও হলান্ডের সামনে রেকর্ডের হাতছানি

প্রথম দুই ম্যাচ জিতে দুই দলের নকআউট পর্বের টিকেট নিশ্চিত হয়েছে আগেই। এবার গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও নরওয়ে।

বস্টনে ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচটি শুরু হবে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়।

তার আগে দেখে নেওয়া যাক কিছু পরিসংখ্যান:

এই প্রথম বিশ্বকাপে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও নরওয়ে।

১৬

আন্তর্জাতিক ফুটবলে এই নিয়ে ১৬ বার দেখা হচ্ছে দল দুটির। সবশেষ ২০১৪ সালে প্রীতি ম্যাচে ৪-০ গোলে জিতেছিল ফ্রান্স।

১০

দুই দলের আগের ১০টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে নরওয়ের জয় কেবল দুটি। যার সবশেষ জয়টি ১৯৮৭ সালে ইউরোর বাছাইপর্বে ২-০ গোলে।

বিশ্বকাপে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ খেলে কখনও জিততে পারেনি নরওয়ে (২ ড্র, ৩ হার)। আর ফ্রান্স ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে সবশেষ পাঁচ ম্যাচের সবকটিই জিতেছে।

আসরে নরওয়ের প্রথম দুই ম্যাচেই (ইরাক ও সেনেগালের বিপক্ষে) দুটি করে গোল করেছেন আর্লিং হলান্ড। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিযোগিতাটিতে নিজের প্রথম তিন ম্যাচেই দুই বা এর বেশি করে গোল করার হাতছানি এই তারকা ফরোয়ার্ডের সামনে।

এই স্বাদ পাওয়া দুই খেলোয়াড় হলেন আর্জেন্টিনার গিয়ের্মো স্তাবিলে (১৯৩০ সালে) ও হাঙ্গেরির সান্দর কোচিশ (১৯৫৪ সালে)।

১৬

ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপেও আসরে দলের প্রথম দুই ম্যাচেই দুটি করে গোল করেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের তালিকায় দুই নম্বরে মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে বসেছেন তিনি, দুজনেরই ১৬টি করে। আবার জোড়া গোল করলে চূড়ায় থাকা লিওনেল মেসিকে (১৮) ছুঁয়ে ফেলবেন এমবাপে।

দ্বিতীয়বারের মতো কোনো বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচই জয়ের হাতছানি ফ্রান্সের সামনে। তারা একবার এই স্বাদ পেয়েছে ১৯৯৮ সালে, যেবার ঘরের মাঠে তারা ট্রফি জিতেছিল।

২৮ বছর পর এবার বিশ্বকাপে ফিরেছে নরওয়ে। এবার তারা যত ম্যাচ জিতেছে, ঠিক তত ম্যাচ তারা জিতেছিল তাদের আগের তিনটি বিশ্বকাপ মিলে (১৯৩৮ সালে শূন্য জয়, ১৯৯৪ সালে ১ জয়, ১৯৯৮ সালে ১ জয়)।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ