
গত অর্থবছরে লোকসান হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। তহবিল সংকটে ঋণ চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নতুন করে চাওয়া হয়েছে চার হাজার কোটি টাকার তহবিল। অথচ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য বিনা সুদে দেওয়া হয়েছে ৩০ লাখ টাকা করে। আর রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ প্রতি মাসে দেওয়া হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এসব অনিয়ম ঘটেছে রাষ্ট্র মালিকানাধীন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে।
সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তার চাপে গোপনে ‘নির্বাহী কার লোন স্কিম নীতিমালা’ তৈরি করে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। নীতিমালার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা নেওয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও নীতিমালাটি প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে ব্যাংকটিতে মহাব্যবস্থাপক (জিএম) পদের নিচে গাড়ি কেনার ঋণ দেওয়ার অনুমোদন ছিল না। কিন্তু ওই নীতিমালা অনুযায়ী এজিএম ও ডিজিএম পদের জন্য ঋণ দেওয়া হয়।

