শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সোয়া ৮টার দিকে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্প্রিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে।
কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা শনিবার রাতের দিকে প্রায় ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল-এ পৌঁছায়। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
বাঘাইছড়ি পৌরসভার বটতলী, এফব্লক, পুরাতন মারিশ্যা, মাস্টারপাড়া, মাদ্রাসাপাড়া, লাইল্যাঘোনা, উলুছড়ি, বাঘাইহাট, পশ্চিম মুসলিম ব্লক ও মধ্যমপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে পানি ওঠায় স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হয়েছে। কোথাও কোথাও পরিবারগুলোকে স্থানীয় বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে হয়েছে।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান জানিয়েছেন, কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাঘাইছড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল মাবুদ জানান, পানি দ্রুত বাড়ছে। ইতোমধ্যে কিছু পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে।
এদিকে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা, বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পানি ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে।
অন্যদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু পানিতে ডুবে গেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সেতুতে প্রবেশ ও চলাচল নিষিদ্ধ করেছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ। পানি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাপ্তাই হ্রদ তীরবর্তী ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রধান সম্পাদক : সালমান মাহমুদ
18/1 Naya polton, 2nd floor, Dhaka -1000, Bangladesh.
+880 1979-778844, +880 1712-027525
Justice Media Ltd. এর একটি প্রতিষ্ঠান
© Copyright - newsforjustice.com