নিজস্ব প্রতিবেদক:
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ক্ষমা, দয়া, সহনশীলতা ও মহানুভবতার অনন্য দৃষ্টান্ত। যারা তাঁর সঙ্গে অন্যায় করেছে, কষ্ট দিয়েছে কিংবা শত্রুতা করেছে—তাদের অনেককেই তিনি প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমা করেছেন। তাঁর জীবনের এসব ঘটনা মানবজাতির জন্য আজও ক্ষমা ও সহনশীলতার অনুকরণীয় শিক্ষা।
ইসলামের দাওয়াত দিতে গিয়ে তায়েফে মহানবী (সা.)-কে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়। তায়েফবাসী তাঁকে পাথর নিক্ষেপ করে আহত করে। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা হজরত জায়েদ ইবনে হারেছা (রা.) তাদের জন্য বদদোয়া করার কথা বলেন।
বর্ণনা অনুযায়ী, এ সময় হযরত জিবরাইল (আ.) এসে তায়েফবাসীকে ধ্বংস করে দেওয়ার সুযোগের কথা জানান। কিন্তু মহানবী (সা.) তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি তাদের জন্য বদদোয়া না করে ভবিষ্যতে তাদের বংশধরদের মধ্য থেকে আল্লাহর ইবাদতকারী মানুষ আসার আশা প্রকাশ করেন।
মহানবী (সা.)-এর এই মহানুভবতা প্রমাণ করে, ক্ষমা দুর্বলতার পরিচয় নয়; বরং এটি মহান চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। প্রতিশোধ নেওয়ার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করে দেওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আদর্শ।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ —সুরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭।
মহানবী (সা.)-এর জীবন থেকে ক্ষমা, দয়া ও সহনশীলতার শিক্ষা গ্রহণ করে ব্যক্তিজীবন ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার আহ্বান রয়েছে।
প্রধান সম্পাদক : সালমান মাহমুদ
18/1 Naya polton, 2nd floor, Dhaka -1000, Bangladesh.
+880 1979-778844, +880 1712-027525
Justice Media Ltd. এর একটি প্রতিষ্ঠান
© Copyright - newsforjustice.com