ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

সোনারগাঁওয়ে আম ও লিচু গাছে মুকুলের সমারোহ

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪ ১২১ বার পড়া হয়েছে

ছবি : নিজস্ব

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

Sonargaon :

সোনারগাঁওয়ে আম ও লিচুর গাছে মুকুলে ছেয়ে গেছে। মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ছোট বড় সব গাছে এবার রেকর্ড পরিমাণ মুকুল দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া ভাল থাকলে মৌসুমী আম ও লিচুর ফলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে উপজেলার চাষি হাবুল সরদার জানিয়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চাষিরা এখন স্প্রে দিয়ে ওষুধ প্রয়োগ করে মুকুল আটকানোর চেষ্টা করছেন। উপজেলা পৌরসভাসহ ৩টি ইউনিয়নের অনেক জায়গায় এখন বাণিজ্যিকভাবে আম, লিচু ও কাঁঠালের চাষ করা হচ্ছে। আগের তুলনায় এলাকায় বেড়েছে বাগান ও ফলের চাষ। এলাকায় বাগানের পাশাপাশি সরকারী অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ফাঁকা জায়গায় সারি সারি করে বিভিন্ন প্রকার ফলজ গাছ রোপন করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, এবার আম, লিচু অন্য সময়ের চেয়ে অনেক ভালো মুকুল হয়েছে। ক্ষতিকর পোকামাকড় থেকে পরিত্রাণ পেতে আম চাষিদের হপার পোকার জন্য তরল কীটনাশক, এ্যানথ্রাকনোজ রোগের জন্য ছত্রাক নাশক ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছি। আম গাছে মুকুল হলেই যে বেশি আম ধরবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন বা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলে বা তাপমাত্রা কমে গেলে মুকুল নষ্ট হয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, ৯৯ ভাগ মুকুল থেকে কোন গুটি হয়না। আবার বিভিন্ন কারণে গুটিও ঝরে পরে। মাটিতে প্রয়োজনীয় রস না থাকলে গুটি ঝরে পড়ে বেশি। তাছাড়া নিয়ম ভঙ্গ করে গ্রাম গ্রামে ইট ভাটা স্থাপিত হওয়ায় এর ছাই প্রতি বছর আমের মুকুলের ক্ষতি করছে। যদিও এবার প্রচুর মুকুল এসেছে।

তবে ফলন নির্ভর করবে পরবর্তী আবহাওয়ার উপর। যে বছর আমের ফলন বেশি হবে সে বছর গাছের কার্বন ও নাইট্রোজেনের তারতম্য ঘটে। ফলে পরের বছর আমের ফলন কমে যায়।

/শিল্পী/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সোনারগাঁওয়ে আম ও লিচু গাছে মুকুলের সমারোহ

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

Sonargaon :

সোনারগাঁওয়ে আম ও লিচুর গাছে মুকুলে ছেয়ে গেছে। মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ছোট বড় সব গাছে এবার রেকর্ড পরিমাণ মুকুল দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া ভাল থাকলে মৌসুমী আম ও লিচুর ফলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে উপজেলার চাষি হাবুল সরদার জানিয়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চাষিরা এখন স্প্রে দিয়ে ওষুধ প্রয়োগ করে মুকুল আটকানোর চেষ্টা করছেন। উপজেলা পৌরসভাসহ ৩টি ইউনিয়নের অনেক জায়গায় এখন বাণিজ্যিকভাবে আম, লিচু ও কাঁঠালের চাষ করা হচ্ছে। আগের তুলনায় এলাকায় বেড়েছে বাগান ও ফলের চাষ। এলাকায় বাগানের পাশাপাশি সরকারী অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ফাঁকা জায়গায় সারি সারি করে বিভিন্ন প্রকার ফলজ গাছ রোপন করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, এবার আম, লিচু অন্য সময়ের চেয়ে অনেক ভালো মুকুল হয়েছে। ক্ষতিকর পোকামাকড় থেকে পরিত্রাণ পেতে আম চাষিদের হপার পোকার জন্য তরল কীটনাশক, এ্যানথ্রাকনোজ রোগের জন্য ছত্রাক নাশক ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছি। আম গাছে মুকুল হলেই যে বেশি আম ধরবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন বা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলে বা তাপমাত্রা কমে গেলে মুকুল নষ্ট হয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, ৯৯ ভাগ মুকুল থেকে কোন গুটি হয়না। আবার বিভিন্ন কারণে গুটিও ঝরে পরে। মাটিতে প্রয়োজনীয় রস না থাকলে গুটি ঝরে পড়ে বেশি। তাছাড়া নিয়ম ভঙ্গ করে গ্রাম গ্রামে ইট ভাটা স্থাপিত হওয়ায় এর ছাই প্রতি বছর আমের মুকুলের ক্ষতি করছে। যদিও এবার প্রচুর মুকুল এসেছে।

তবে ফলন নির্ভর করবে পরবর্তী আবহাওয়ার উপর। যে বছর আমের ফলন বেশি হবে সে বছর গাছের কার্বন ও নাইট্রোজেনের তারতম্য ঘটে। ফলে পরের বছর আমের ফলন কমে যায়।

/শিল্পী/