ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

মারধরের অভিযোগে ভালুকা উপজেলা চেয়ারম্যান কারাগারে

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ ১১২ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

Bhaluka upazila chairman is in jail :
ময়মনসিংহে এক যুবলীগ নেতাকে মারধরের মামলায় ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৪ মার্চ) সকালে ময়মনসিংহ ৮ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক এ কে রওশন জাহান এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান কবির সাজু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, চার্জশিট দাখিলের দিনে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ স্থায়ী জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মারধরের শিকার ও মামলার বাদী যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও জেলা যুবলীগ নেতা।

হুমায়ুন কবির বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে অপবাদ ও কটূক্তির প্রতিবাদে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলাম। সেটিকে কেন্দ্র করে ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ও তার নির্দেশে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ২২ দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি আবুল কালাম আজাদকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করি।

/শিল্পী/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মারধরের অভিযোগে ভালুকা উপজেলা চেয়ারম্যান কারাগারে

আপডেট সময় : ০৪:০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

Bhaluka upazila chairman is in jail :
ময়মনসিংহে এক যুবলীগ নেতাকে মারধরের মামলায় ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৪ মার্চ) সকালে ময়মনসিংহ ৮ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক এ কে রওশন জাহান এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান কবির সাজু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, চার্জশিট দাখিলের দিনে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ স্থায়ী জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মারধরের শিকার ও মামলার বাদী যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও জেলা যুবলীগ নেতা।

হুমায়ুন কবির বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে অপবাদ ও কটূক্তির প্রতিবাদে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলাম। সেটিকে কেন্দ্র করে ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ও তার নির্দেশে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ২২ দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি আবুল কালাম আজাদকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করি।

/শিল্পী/