ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

পুড়ে যাওয়া এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলে উৎপাদন শুরু

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

S Alom Sugar Mill :

অগ্নিদুর্যোগের কোনো প্রভাব বাজারে যাতে না পড়ে সেদিকে সুদৃষ্টি দিয়ে পুড়ে যাওয়া এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলে উৎপাদনে শুরু হয়েছে।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গুদামের আগুন বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) নিয়ন্ত্রণে আসে। শুক্রবার (৮ মার্চ) সকাল থেকেই পরিশোধিত চিনি বাজারে সরবরাহ শুরু হয় এবং শনিবার (৯ মার্চ) থেকে মূল কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে জানান এস আলম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আখতার হাসান।

এস আলম সুগার মিল সূত্রে জানা যায়, কারখানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিশোধিত চিনির মজুদ রয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে এসব চিনি বাজারে সরবরাহ করা শুরু হয়। এদিন ২০০ মেট্রিক টক চিনি বাজারে সরবরাহ করার কথা রয়েছে।

শনিবার এস আলম সুগার মিলে গিয়ে দেখা যায়, আগুন পুরোপুরি নিভে গেছে। পুরোদমে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। গলিত চিনি এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন খালি জায়গায় সরিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রায় ৩০টি ডাম্প ট্রাক দিয়ে গলিত র-সুগার ডাম্পিং করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে হয়েছে যেন এগুলো নদীতে না পড়ে। এছাড়া গুদামের দেয়াল ধসে পড়ার শঙ্কায় দেওয়া হয়েছে বালুর বাঁধ। আগুন নিভে গেলেও ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট মোতায়েন করা আছে সেখানে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও কারখানায় দেখা যায়।

এস আলম গ্রুপ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে পুড়ে গেছে ১ লাখ টনের মতো অপরিশোধিত চিনি। কারখানার অন্যান্য ৩টি গুদাম অক্ষত রয়েছে। যেখানে ৬ লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন চিনির কাঁচামাল রয়েছে। কারখানায় আগামী ১০-১২ দিনের পরিশোধিত চিনি প্রস্তুত রয়েছে। যা ভোক্তাদের জন্য বাজারের সরবরাহ করা হবে।

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক দীনমনি শর্মা বলেন, গুদামের আগুন প্রায় নিভে গেছে। কিন্তু পুড়ে যাওয়া চিনি পরিষ্কার করার সময় কিছু স্থানে ধোঁয়া বের হওয়ায় আমরা পুরো নির্বাপণ বলছি না।

এস আলম গ্রুপের ব্যবস্থাপক (এইচআর) মোহাম্মদ হোসেন বলেন, কারখানার ৪ গুদামে চার লাখ টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। এর মধ্যে পুড়ে যাওয়া গুদামের এক লাখ টন চিনি নষ্ট হয়েছে। বাইরে আরেকটি গুদামে ২৫ হাজার টনের মত পরিশোধিত চিনি ছিল। ওই গুদাম অক্ষত রয়েছে। ইতিমধ্যে সেখান থেকে পরিশোধিত চিনি বাজারে ছাড়া শুরু হয়েছে।

এস আলম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আখতার হাসান বলেন, ইতোমধ্যে পরিশোধিত থাকা চিনির মজুত থেকে বাজারে সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার থেকে মূল কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। অগ্নিদুর্যোগের কোনো প্রভাব যেন বাজারে না পড়ে সেদিকে আমরা সুদৃষ্টি দিচ্ছি।

/শিল্পী/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পুড়ে যাওয়া এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলে উৎপাদন শুরু

আপডেট সময় : ০৮:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪

S Alom Sugar Mill :

অগ্নিদুর্যোগের কোনো প্রভাব বাজারে যাতে না পড়ে সেদিকে সুদৃষ্টি দিয়ে পুড়ে যাওয়া এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলে উৎপাদনে শুরু হয়েছে।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গুদামের আগুন বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) নিয়ন্ত্রণে আসে। শুক্রবার (৮ মার্চ) সকাল থেকেই পরিশোধিত চিনি বাজারে সরবরাহ শুরু হয় এবং শনিবার (৯ মার্চ) থেকে মূল কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে জানান এস আলম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আখতার হাসান।

এস আলম সুগার মিল সূত্রে জানা যায়, কারখানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিশোধিত চিনির মজুদ রয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে এসব চিনি বাজারে সরবরাহ করা শুরু হয়। এদিন ২০০ মেট্রিক টক চিনি বাজারে সরবরাহ করার কথা রয়েছে।

শনিবার এস আলম সুগার মিলে গিয়ে দেখা যায়, আগুন পুরোপুরি নিভে গেছে। পুরোদমে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। গলিত চিনি এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন খালি জায়গায় সরিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রায় ৩০টি ডাম্প ট্রাক দিয়ে গলিত র-সুগার ডাম্পিং করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে হয়েছে যেন এগুলো নদীতে না পড়ে। এছাড়া গুদামের দেয়াল ধসে পড়ার শঙ্কায় দেওয়া হয়েছে বালুর বাঁধ। আগুন নিভে গেলেও ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট মোতায়েন করা আছে সেখানে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও কারখানায় দেখা যায়।

এস আলম গ্রুপ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে পুড়ে গেছে ১ লাখ টনের মতো অপরিশোধিত চিনি। কারখানার অন্যান্য ৩টি গুদাম অক্ষত রয়েছে। যেখানে ৬ লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন চিনির কাঁচামাল রয়েছে। কারখানায় আগামী ১০-১২ দিনের পরিশোধিত চিনি প্রস্তুত রয়েছে। যা ভোক্তাদের জন্য বাজারের সরবরাহ করা হবে।

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক দীনমনি শর্মা বলেন, গুদামের আগুন প্রায় নিভে গেছে। কিন্তু পুড়ে যাওয়া চিনি পরিষ্কার করার সময় কিছু স্থানে ধোঁয়া বের হওয়ায় আমরা পুরো নির্বাপণ বলছি না।

এস আলম গ্রুপের ব্যবস্থাপক (এইচআর) মোহাম্মদ হোসেন বলেন, কারখানার ৪ গুদামে চার লাখ টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। এর মধ্যে পুড়ে যাওয়া গুদামের এক লাখ টন চিনি নষ্ট হয়েছে। বাইরে আরেকটি গুদামে ২৫ হাজার টনের মত পরিশোধিত চিনি ছিল। ওই গুদাম অক্ষত রয়েছে। ইতিমধ্যে সেখান থেকে পরিশোধিত চিনি বাজারে ছাড়া শুরু হয়েছে।

এস আলম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আখতার হাসান বলেন, ইতোমধ্যে পরিশোধিত থাকা চিনির মজুত থেকে বাজারে সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার থেকে মূল কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। অগ্নিদুর্যোগের কোনো প্রভাব যেন বাজারে না পড়ে সেদিকে আমরা সুদৃষ্টি দিচ্ছি।

/শিল্পী/