ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

ঘরপোড়া রোহিঙ্গাদের ঠিকানা এখন খোলা আকাশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উখিয়া প্রতিনিধি

বসবাসের শেষ আশ্রয় স্থল উখিয়ায় ক্যাম্প পুড়ে যাওয়ায় প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গার ঠিকানা এখন খোলা আকাশ। যেখানে রোববার দুপুরেও মাথার ওপর ছাউনি ছিল। হঠাৎ আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তার আশ্রয়ের ছোট্ট ঘরটি। সব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে বসে আছেন নিঃস্ব এ রোহিঙ্গারা। তাকিয়ে আছেন কখন আবার পাবেন মাথা গোজার ঠাঁই।

রোববারের আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে প্রায় ২ হাজার ঘর। ১০ ও ১১ নম্বর ক্যাম্পের পুরো এলাকাটি এখন যেন বিরানভূমি। সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব রোহিঙ্গাদের ঠিকানা এখন খোলা আকাশের নিচে। কেউ কেউ চেষ্টা করছে সাময়িক তাঁবু করে আশ্রয় নেয়ার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছেন, পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে পর্যায়ক্রমে ঘর পাবে ক্ষতিগ্রস্তরা। এখন তাদেরকে খাদ্য ও চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জ সরওয়ার কামাল বলেন, বিভিন্ন এনজিও এখানে কাজ করে। তাদের সঙ্গে মিটিং করে কে কিভাবে সাহায্য করতে পারবে তার তথ্য আমরা নিয়েছি। একই সাহায্যের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেজন্য আমরা তাদের কাজ ভাগ করে দিয়েছি।

আইওএম কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদ বলেন, তারা যেন অস্থায়ীভাবে তাদের জন্যে আশ্রয়ের বন্দবস্ত করতে পারে আমরা সেটার ব্যবস্থা করেছি।

ঘটনা তদন্তে কাজ শুরু করেছে সাত সদস্যের কমিটি। নাশকতার বিষয়টি মাথায় রেখে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে এই কমিটি।

এম.নাসির/৭

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঘরপোড়া রোহিঙ্গাদের ঠিকানা এখন খোলা আকাশ

আপডেট সময় : ০৬:২০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

উখিয়া প্রতিনিধি

বসবাসের শেষ আশ্রয় স্থল উখিয়ায় ক্যাম্প পুড়ে যাওয়ায় প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গার ঠিকানা এখন খোলা আকাশ। যেখানে রোববার দুপুরেও মাথার ওপর ছাউনি ছিল। হঠাৎ আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তার আশ্রয়ের ছোট্ট ঘরটি। সব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে বসে আছেন নিঃস্ব এ রোহিঙ্গারা। তাকিয়ে আছেন কখন আবার পাবেন মাথা গোজার ঠাঁই।

রোববারের আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে প্রায় ২ হাজার ঘর। ১০ ও ১১ নম্বর ক্যাম্পের পুরো এলাকাটি এখন যেন বিরানভূমি। সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব রোহিঙ্গাদের ঠিকানা এখন খোলা আকাশের নিচে। কেউ কেউ চেষ্টা করছে সাময়িক তাঁবু করে আশ্রয় নেয়ার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছেন, পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে পর্যায়ক্রমে ঘর পাবে ক্ষতিগ্রস্তরা। এখন তাদেরকে খাদ্য ও চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জ সরওয়ার কামাল বলেন, বিভিন্ন এনজিও এখানে কাজ করে। তাদের সঙ্গে মিটিং করে কে কিভাবে সাহায্য করতে পারবে তার তথ্য আমরা নিয়েছি। একই সাহায্যের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেজন্য আমরা তাদের কাজ ভাগ করে দিয়েছি।

আইওএম কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদ বলেন, তারা যেন অস্থায়ীভাবে তাদের জন্যে আশ্রয়ের বন্দবস্ত করতে পারে আমরা সেটার ব্যবস্থা করেছি।

ঘটনা তদন্তে কাজ শুরু করেছে সাত সদস্যের কমিটি। নাশকতার বিষয়টি মাথায় রেখে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে এই কমিটি।

এম.নাসির/৭