ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাইসহ দুই প্রার্থীর ভোট বর্জন

নোয়াখালী প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
Obaidul is younger than Quader:

নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই শাহাদাত হোসেনসহ দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। সাহাদাৎ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টেলিফোন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অপর প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল। তিনি দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী অপর প্রার্থী হচ্ছেন গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল।

আজ বুধবার (২৯ মে) ভোট চলাকালীন সাহাদাৎ হোসেন ও মিজানুর রহমান বাদল নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তারা।

তারা অভিযোগ করে বলেন, সকালে বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। ওবায়দুল কাদেরের আরেক ভাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার সমর্থিত প্রার্থী পিপুলের লোকজন কেন্দ্রে কেন্দ্রে জোর পূর্বক জাল ভোট দিচ্ছেন। এ ছাড়া চরএলাহীতে বাদলের দোয়াত কলম সমর্থিত কর্মী ও ভোটারদের মারধর করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ কেন্দ্রই ভোটার শূন্য। দু-একটিতে ভোটার থাকলেও উপস্থিতি ছিল হাতে গোণা। কোনো কোনো কেন্দ্র সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্র ৭টি, আবার কোনোটিতে একটি ভোটও পড়েনি। উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের বেশিরভাগ কেন্দ্রেই আনারস প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্ট ছাড়া অন্য কারো এজেন্ট চোখে পড়েনি। সিরাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি বুথে দেখা যায় আনারস প্রতীকের এজেন্টের সামনেই ভোট দিচ্ছে এক নারী। চরএলাহী ইউনিয়নে আনারস ও দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। তাদের দাবি, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। যেখানে অভিযোগ পাওয়া গেছে সেখানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে তিনি ভোট বর্জন ঘোষণা করেছেন।

এম.নাসির/২৯

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাইসহ দুই প্রার্থীর ভোট বর্জন

আপডেট সময় : ০১:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪
Obaidul is younger than Quader:

নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই শাহাদাত হোসেনসহ দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। সাহাদাৎ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টেলিফোন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অপর প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল। তিনি দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী অপর প্রার্থী হচ্ছেন গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল।

আজ বুধবার (২৯ মে) ভোট চলাকালীন সাহাদাৎ হোসেন ও মিজানুর রহমান বাদল নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তারা।

তারা অভিযোগ করে বলেন, সকালে বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। ওবায়দুল কাদেরের আরেক ভাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার সমর্থিত প্রার্থী পিপুলের লোকজন কেন্দ্রে কেন্দ্রে জোর পূর্বক জাল ভোট দিচ্ছেন। এ ছাড়া চরএলাহীতে বাদলের দোয়াত কলম সমর্থিত কর্মী ও ভোটারদের মারধর করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ কেন্দ্রই ভোটার শূন্য। দু-একটিতে ভোটার থাকলেও উপস্থিতি ছিল হাতে গোণা। কোনো কোনো কেন্দ্র সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্র ৭টি, আবার কোনোটিতে একটি ভোটও পড়েনি। উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের বেশিরভাগ কেন্দ্রেই আনারস প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্ট ছাড়া অন্য কারো এজেন্ট চোখে পড়েনি। সিরাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি বুথে দেখা যায় আনারস প্রতীকের এজেন্টের সামনেই ভোট দিচ্ছে এক নারী। চরএলাহী ইউনিয়নে আনারস ও দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। তাদের দাবি, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। যেখানে অভিযোগ পাওয়া গেছে সেখানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে তিনি ভোট বর্জন ঘোষণা করেছেন।

এম.নাসির/২৯