ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

এবার কুবি হল প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩ ১০৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্টের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করেছেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী ফাইজা মেহজাবিন। সোমবার (৬ মার্চ) উপাচার্য বরাবর তিনি লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, বিগত তিন মাসে আমাদের হলের (শেখ হাসিনা হল) প্রাধ্যক্ষ সাহেদুর রহমান স্যার নানাভাবে আমাকে হেনস্তা করেছেন। কখনো তিনি বিনা অনুমতিতে ঠুনকো অজুহাতে আমার কক্ষে প্রবেশ করে আমাকে বিব্রত করেছেন, কখনো পূর্ব নোটিশ ব্যতীত কক্ষের ব্যক্তিগত লকার চেক করেছেন। একজন পুরুষ শিক্ষকের হুটহাট আমার কক্ষে প্রবেশের বিষয়টি আমাকে প্রায় সময় বিব্রত করে। এসব ঘটনাকে আমি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করি। এছাড়া অন্যান্য নারী শিক্ষার্থীদের কক্ষেও তিনি প্রায়ই অবাধে প্রবেশ করেন।

অভিযোগ পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এসকল বিষয় এবং হলের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রাধ্যক্ষ স্যার আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় অশালীন মন্তব্য এবং অপমানজনক আচরণ করেছেন। তার এহেন কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করায় তিনি আমার ওপর প্রায়ই ক্ষোভ ঝাড়তেন। এ ঘটনাগুলোকে আড়াল করতে সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। আমি মনে করি, তার এসব কর্মকাণ্ড আমার ওপর ব্যক্তি আক্রমনের বহিঃপ্রকাশ মাত্র।

এ বিষয়ে কাজী ফাইজা মেহজাবিন বলেন, আমি অভিযোগপত্রে সব উল্লেখ করেছি। পরীক্ষা থাকার পরেও আমাকে হেনস্তা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

হল প্রভোস্ট মোঃ সাহেদুর রহমান বলেন, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি যে সে এমন একটি অভিযোগ দিয়েছে। আসলে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তা হাল্কা করার জন্য এমন একটি মিথ্যা অভিযোগ দাঁড় করিয়েছে। আমি যখন হল পরিদর্শন করতে যাই তখন আমার সাথে অবশ্যই কোনো ম্যাম বা শিক্ষক থাকেন। এমন কি আমি আগে মেয়েদের ডেকে পাঠিয়ে বলতে বলি যে আমি রুম পরিদর্শনে যাবো। একজন শিক্ষার্থীর থেকে এমন অভিযোগ আসলে একজন শিক্ষক হিসেবে আমার জন্য লজ্জার ব্যাপার।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।

রইস/৭

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এবার কুবি হল প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্টের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করেছেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী ফাইজা মেহজাবিন। সোমবার (৬ মার্চ) উপাচার্য বরাবর তিনি লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, বিগত তিন মাসে আমাদের হলের (শেখ হাসিনা হল) প্রাধ্যক্ষ সাহেদুর রহমান স্যার নানাভাবে আমাকে হেনস্তা করেছেন। কখনো তিনি বিনা অনুমতিতে ঠুনকো অজুহাতে আমার কক্ষে প্রবেশ করে আমাকে বিব্রত করেছেন, কখনো পূর্ব নোটিশ ব্যতীত কক্ষের ব্যক্তিগত লকার চেক করেছেন। একজন পুরুষ শিক্ষকের হুটহাট আমার কক্ষে প্রবেশের বিষয়টি আমাকে প্রায় সময় বিব্রত করে। এসব ঘটনাকে আমি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করি। এছাড়া অন্যান্য নারী শিক্ষার্থীদের কক্ষেও তিনি প্রায়ই অবাধে প্রবেশ করেন।

অভিযোগ পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এসকল বিষয় এবং হলের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রাধ্যক্ষ স্যার আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় অশালীন মন্তব্য এবং অপমানজনক আচরণ করেছেন। তার এহেন কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করায় তিনি আমার ওপর প্রায়ই ক্ষোভ ঝাড়তেন। এ ঘটনাগুলোকে আড়াল করতে সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। আমি মনে করি, তার এসব কর্মকাণ্ড আমার ওপর ব্যক্তি আক্রমনের বহিঃপ্রকাশ মাত্র।

এ বিষয়ে কাজী ফাইজা মেহজাবিন বলেন, আমি অভিযোগপত্রে সব উল্লেখ করেছি। পরীক্ষা থাকার পরেও আমাকে হেনস্তা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

হল প্রভোস্ট মোঃ সাহেদুর রহমান বলেন, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি যে সে এমন একটি অভিযোগ দিয়েছে। আসলে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তা হাল্কা করার জন্য এমন একটি মিথ্যা অভিযোগ দাঁড় করিয়েছে। আমি যখন হল পরিদর্শন করতে যাই তখন আমার সাথে অবশ্যই কোনো ম্যাম বা শিক্ষক থাকেন। এমন কি আমি আগে মেয়েদের ডেকে পাঠিয়ে বলতে বলি যে আমি রুম পরিদর্শনে যাবো। একজন শিক্ষার্থীর থেকে এমন অভিযোগ আসলে একজন শিক্ষক হিসেবে আমার জন্য লজ্জার ব্যাপার।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।

রইস/৭