ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

সিলেটে পানিতে আটকা পড়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ

ডেস্ক প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪ ২৭ বার পড়া হয়েছে

আশ্রয়কেন্দ্র

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

trapped in water in Sylhet :  টানা বর্ষণে সিলেটের ১৩টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলা কমবেশি প্লাবিত হয়েছে। পানিতে আটকা পড়েছেন ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলা। এ উপজেলায় আটকা পড়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন।

এদিকে বন্যা মোকাবেলায় এ পর্যন্ত ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছেছেন ৪ হাজার ৮০২ জন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট।

এর মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ৯৩ হাজার, কানাইঘাটে ৮০ হাজার ৬০০, জৈন্তাপুর উপজেলায় ৬৫ ​​হাজার, জোকিগঞ্জে ৩৯ হাজার ৮৫২ ও গোয়াইনঘাটে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন। এ ছাড়া সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় ৫ হাজার ৫০০ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ৩ হাজার ৫০০ মানুষ পানিতে আটকা পড়েছে। বন্যা কবলিত উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার ৪২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এই ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলায়।

এ উপজেলায় ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ২ হাজার ৩৫৬ জন। এ ছাড়া কানিঘাট উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার ৩১টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। জোকিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এতে আশ্রয় নিয়েছে ৯৫ জন। জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জের তিনটি করে ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬৭৫ জন এবং কোম্পানীগঞ্জের ৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৩৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় যথাক্রমে ৫টি ও একটি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব উপজেলায় ৬৭ ও ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে বিয়ানীবাজারে ৬০ জন ও গোলাপগঞ্জে ১৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পানিবন্দি পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বন্যা কবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে ইউনিয়ন ভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারিভাবে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার এবং বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সিলেটে পানিতে আটকা পড়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০৯:৫১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪

trapped in water in Sylhet :  টানা বর্ষণে সিলেটের ১৩টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলা কমবেশি প্লাবিত হয়েছে। পানিতে আটকা পড়েছেন ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলা। এ উপজেলায় আটকা পড়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন।

এদিকে বন্যা মোকাবেলায় এ পর্যন্ত ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছেছেন ৪ হাজার ৮০২ জন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট।

এর মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ৯৩ হাজার, কানাইঘাটে ৮০ হাজার ৬০০, জৈন্তাপুর উপজেলায় ৬৫ ​​হাজার, জোকিগঞ্জে ৩৯ হাজার ৮৫২ ও গোয়াইনঘাটে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন। এ ছাড়া সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় ৫ হাজার ৫০০ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ৩ হাজার ৫০০ মানুষ পানিতে আটকা পড়েছে। বন্যা কবলিত উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার ৪২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এই ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলায়।

এ উপজেলায় ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ২ হাজার ৩৫৬ জন। এ ছাড়া কানিঘাট উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার ৩১টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। জোকিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এতে আশ্রয় নিয়েছে ৯৫ জন। জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জের তিনটি করে ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬৭৫ জন এবং কোম্পানীগঞ্জের ৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৩৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় যথাক্রমে ৫টি ও একটি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব উপজেলায় ৬৭ ও ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে বিয়ানীবাজারে ৬০ জন ও গোলাপগঞ্জে ১৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পানিবন্দি পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বন্যা কবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে ইউনিয়ন ভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারিভাবে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার এবং বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে।