ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

শ্বাসরুদ্ধ ম্যাচ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়

স্পোর্টস রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪ ৪০ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
Great win for Bangladesh:

বিশ্বকাপ টি-টুয়েন্টি সিরিজে শ্রীলঙ্কার দেয়া পুজিতে টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু চতুর্থ উইকেটে লিটন ও হৃদয় দুর্দান্ত জুটি গড়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন। এরপর এ দুজনের বিদায়ের পর দ্রুতই উইকেট হারিয়ে হারের শঙ্কা জাগে টাইগারদের। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

আজ শনিবার (৮ জুন) ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। আগে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা মুস্তাফিজ ও রিশাদের বোলিং তোপে পড়ে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে বাংলাদেশ ৬ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয়।

শেষ ১২ বলে প্রয়োজন ছিল ১১ রান। স্ট্রাইকে তখন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ। প্রথম বলকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচকে নিজেদের দিকে টেনে নেন মিস্টার সাইলেন্ট কিলার। পরের বলে এক রান নিয়ে সাকিবকে স্ট্রাইক দেন। এক বল ডট দিয়ে পরের বলে এক রান নিয়ে মাহমুদউল্লাহকে স্টাইক দেন। পঞ্চম বল থেকে ডট আদায় করে নেন দাশুন শানাকা। ষষ্ঠ বলে মাহমুদউল্লাহকে আউটের জন্য রিভিউ নেয় শ্রীলঙ্কা। উল্টো রিভিউ থেকে সেই বলকে ওয়াইড ঘোষণা করেন থার্ড আম্পায়ার। যার ফলে ৭ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন পড়ে ২ রান। ১৯তম ওভারের শেষ বলে ২ রান নিয়ে এক ওভার হাতে থাকতেই বাংলাদেশের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম সাকিব।

লঙ্কানদের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। বরাবরের মতোই ব্যর্থ হন তামিম, সৌম্য ও অধিনায়ক শান্ত। এই তিনজনের সম্মিলিত রান মাত্র ১০।

চতুর্থ উইকেটে তাওহিদ হৃদয় ও লিটন দাস মিলে শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ ৬৩ রানের জুটি। দলীয় ৯১ রানে হৃদয় ২০ বলে ৪ ছক্কা ও ১ চারে ৪০ রান করে বিদায় নেন। দলীয় শতরানের আগেই বিদায় নেন লিটন দাসও। তিনি ৩৮ বলে ৩৬ রান সংগ্রহ করেন।

এরপরই লঙ্কানার আবার চেপে ধরে বাংলাদেশকে। ১০০ রানে ৫ উইকেট থেকে ১১৩ রানে ৮ উইকেট পড়ে যায়। এতে করে হারের শঙ্কা জাগে টাইগার সমর্থকদের মনে। কিন্তু অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ঠান্ডা মাথায় খেলে সেই শঙ্কা কাটিয়ে দলকে জয় পাইয়ে মাঠ ছাড়েন। মাহমুদউল্লাহ ১৩ বলে ১ ছক্কার সাহায্যে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে টসভাগ্যে জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। উদ্বোধনী জুটিতে ২১ রান সংগ্রহ করেন কুশল মেন্ডিস ও পাথুম নিশাঙ্কা। এরপর মেন্ডিসকে ফেরান তাসকিন। এরপর দলীয় অর্ধশত পূরণ করার আগে দ্বিতীয় আঘাত হানেন টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি ফেরান কামিন্দু মেন্ডিসকে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ রান করা পাথুম নিশাঙ্কাকে দলীয় ৭০ রানের সময় প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মুস্তাফিজ। তার আগে নিশাঙ্কা ২৮ বলে ১ ছক্কা ও ৭ চারে ৪৭ রান সংগ্রহ করেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। শেষ দিকে রিশাদ আক্রমণে এসে দ্রুত উইকেট তুলতে থাকেন।

এম.নাসির/৮

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শ্বাসরুদ্ধ ম্যাচ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়

আপডেট সময় : ০৪:১১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪
Great win for Bangladesh:

বিশ্বকাপ টি-টুয়েন্টি সিরিজে শ্রীলঙ্কার দেয়া পুজিতে টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু চতুর্থ উইকেটে লিটন ও হৃদয় দুর্দান্ত জুটি গড়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন। এরপর এ দুজনের বিদায়ের পর দ্রুতই উইকেট হারিয়ে হারের শঙ্কা জাগে টাইগারদের। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

আজ শনিবার (৮ জুন) ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। আগে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা মুস্তাফিজ ও রিশাদের বোলিং তোপে পড়ে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে বাংলাদেশ ৬ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয়।

শেষ ১২ বলে প্রয়োজন ছিল ১১ রান। স্ট্রাইকে তখন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ। প্রথম বলকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচকে নিজেদের দিকে টেনে নেন মিস্টার সাইলেন্ট কিলার। পরের বলে এক রান নিয়ে সাকিবকে স্ট্রাইক দেন। এক বল ডট দিয়ে পরের বলে এক রান নিয়ে মাহমুদউল্লাহকে স্টাইক দেন। পঞ্চম বল থেকে ডট আদায় করে নেন দাশুন শানাকা। ষষ্ঠ বলে মাহমুদউল্লাহকে আউটের জন্য রিভিউ নেয় শ্রীলঙ্কা। উল্টো রিভিউ থেকে সেই বলকে ওয়াইড ঘোষণা করেন থার্ড আম্পায়ার। যার ফলে ৭ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন পড়ে ২ রান। ১৯তম ওভারের শেষ বলে ২ রান নিয়ে এক ওভার হাতে থাকতেই বাংলাদেশের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম সাকিব।

লঙ্কানদের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। বরাবরের মতোই ব্যর্থ হন তামিম, সৌম্য ও অধিনায়ক শান্ত। এই তিনজনের সম্মিলিত রান মাত্র ১০।

চতুর্থ উইকেটে তাওহিদ হৃদয় ও লিটন দাস মিলে শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ ৬৩ রানের জুটি। দলীয় ৯১ রানে হৃদয় ২০ বলে ৪ ছক্কা ও ১ চারে ৪০ রান করে বিদায় নেন। দলীয় শতরানের আগেই বিদায় নেন লিটন দাসও। তিনি ৩৮ বলে ৩৬ রান সংগ্রহ করেন।

এরপরই লঙ্কানার আবার চেপে ধরে বাংলাদেশকে। ১০০ রানে ৫ উইকেট থেকে ১১৩ রানে ৮ উইকেট পড়ে যায়। এতে করে হারের শঙ্কা জাগে টাইগার সমর্থকদের মনে। কিন্তু অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ঠান্ডা মাথায় খেলে সেই শঙ্কা কাটিয়ে দলকে জয় পাইয়ে মাঠ ছাড়েন। মাহমুদউল্লাহ ১৩ বলে ১ ছক্কার সাহায্যে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে টসভাগ্যে জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। উদ্বোধনী জুটিতে ২১ রান সংগ্রহ করেন কুশল মেন্ডিস ও পাথুম নিশাঙ্কা। এরপর মেন্ডিসকে ফেরান তাসকিন। এরপর দলীয় অর্ধশত পূরণ করার আগে দ্বিতীয় আঘাত হানেন টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি ফেরান কামিন্দু মেন্ডিসকে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ রান করা পাথুম নিশাঙ্কাকে দলীয় ৭০ রানের সময় প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মুস্তাফিজ। তার আগে নিশাঙ্কা ২৮ বলে ১ ছক্কা ও ৭ চারে ৪৭ রান সংগ্রহ করেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। শেষ দিকে রিশাদ আক্রমণে এসে দ্রুত উইকেট তুলতে থাকেন।

এম.নাসির/৮