ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

ভর্তি বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪ ৮১ বার পড়া হয়েছে

ভর্তি বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর আবেদন

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

Student: রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১৩ মার্চ) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মইনুল হাসান আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে, গত ৬ মার্চ প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ ছাত্রী ভর্তি বাতিল করে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করে আদালতে জমা দিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এই ভর্তি প্রক্রিয়া ১৪ মার্চের মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে।

১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের প্রতিবেদন হলফনামা আকারে আদালতে দাখিলের পর বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিকে এই রিট মামলায় ভর্তি বাতিল হওয়া ১৬৯ শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে ৩৬ জন পক্ষপাতের আবেদন করেছেন। আদালতে স্কুলের পক্ষে অ্যাডভোকেট রাফিউল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মইনুল হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কাজী মইনুল হাসান বলেন, অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শূন্য আসনে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে হাইকোর্টে তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গত ৪ মার্চ ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ জন ছাত্রীর ভর্তি বাতিল করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের আলাদাভাবে জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী ভর্তি বাতিলের বিষয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদকে জানান।

এ বছর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে অনিয়মিতভাবে ১৬৯ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। যাদের জন্ম বছর ছিল ২০১৫ এবং ২০১৬। মাউশি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে ২০১৭ সালে শুধুমাত্র জন্ম সনদধারী শিক্ষার্থীরাই প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে এই ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের জন্ম সনদ নিয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ শিক্ষার্থী এবং ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী ১৫৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়।

চলতি শিক্ষাবর্ষে ভিকারুননিসা স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে অনিয়ম হয়েছে এবং এ অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারভীন আক্তার নামে এক অভিভাবক মাউশি মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন। কিন্তু আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। পারভীন আক্তারের আবেদন নিষ্পত্তি করতে মাউশির মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৪ সালে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া সব শিক্ষার্থীর তথ্য চাওয়া হয়েছে। তথ্য পর্যালোচনা করে মাউশি জানতে পারে, ভিকারুননিসার ১৬৯ জন শিক্ষার্থী অনিয়মিতভাবে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে। এরপর গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাউশির মহাপরিচালক ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরীকে চিঠি দিয়ে এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করেন।

আরকে/১৩

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভর্তি বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর আবেদন

আপডেট সময় : ১২:২৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

Student: রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১৩ মার্চ) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মইনুল হাসান আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে, গত ৬ মার্চ প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ ছাত্রী ভর্তি বাতিল করে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করে আদালতে জমা দিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এই ভর্তি প্রক্রিয়া ১৪ মার্চের মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে।

১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের প্রতিবেদন হলফনামা আকারে আদালতে দাখিলের পর বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিকে এই রিট মামলায় ভর্তি বাতিল হওয়া ১৬৯ শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে ৩৬ জন পক্ষপাতের আবেদন করেছেন। আদালতে স্কুলের পক্ষে অ্যাডভোকেট রাফিউল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মইনুল হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কাজী মইনুল হাসান বলেন, অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শূন্য আসনে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে হাইকোর্টে তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গত ৪ মার্চ ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ জন ছাত্রীর ভর্তি বাতিল করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের আলাদাভাবে জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী ভর্তি বাতিলের বিষয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদকে জানান।

এ বছর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে অনিয়মিতভাবে ১৬৯ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। যাদের জন্ম বছর ছিল ২০১৫ এবং ২০১৬। মাউশি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে ২০১৭ সালে শুধুমাত্র জন্ম সনদধারী শিক্ষার্থীরাই প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে এই ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের জন্ম সনদ নিয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ শিক্ষার্থী এবং ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী ১৫৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়।

চলতি শিক্ষাবর্ষে ভিকারুননিসা স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে অনিয়ম হয়েছে এবং এ অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারভীন আক্তার নামে এক অভিভাবক মাউশি মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন। কিন্তু আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। পারভীন আক্তারের আবেদন নিষ্পত্তি করতে মাউশির মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৪ সালে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া সব শিক্ষার্থীর তথ্য চাওয়া হয়েছে। তথ্য পর্যালোচনা করে মাউশি জানতে পারে, ভিকারুননিসার ১৬৯ জন শিক্ষার্থী অনিয়মিতভাবে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে। এরপর গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাউশির মহাপরিচালক ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরীকে চিঠি দিয়ে এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করেন।

আরকে/১৩