ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

Prime Minister in New Delhi:

নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লি পৌছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শনিবার (৮ জুন) দুপুরে তিনি নয়াদিল্লিতে পৌছান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লী যান তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে এবং এবংসাড়ে ১২টার দিকে তিনি দিল্লি পৌঁছেন।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে একটি উচ্চ পর্যায়ের ভারতীয় প্রতিনিধিদল এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান ও প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদসহ হাইকমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ফাইল ফটো

আগামীকাল রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন।

পরে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যোগ দেবেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোববার নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। পরবর্তীতে, তিনি নয়াদিল্লি ত্যাগ করতে সোমবার বিকেল ৫টায় (নয়াদিল্লি সময়) পালাম এয়ার ফোর্স স্টেশনে পৌঁছাবেন এবং একই দিন রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময়) তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে কথোপকথনের সময় তার সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। শেখ হাসিনা এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।

মোদি ৯ জুন সন্ধ্যায় শপথ নিবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯৩টি আসনে বিজয়ী হয়েছে যেখানে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট ২৩৪টি আসন পেয়েছে।

শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহে এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল সহ বিশ্ব নেতারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন। এতে ৮ হাজারের বেশি বিশিষ্টজন উপস্থিত হবেন বলে বলে আশা করা হচ্ছে। মোদিকে অভিনন্দন জ্ঞাপনকারী প্রথম বিদেশী নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন অন্যতম যা দুই নেতার মধ্যে উষ্ণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতিফলন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) নিরঙ্কুশ বিজয় লাভে নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনন্দন বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের নেতা হিসাবে, আপনি ভারতের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বহন করেন।”

ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো জানিয়েছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ বিজয় লাভ করার পর নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনার কাছ থেকে একটি অভিনন্দন টেলিফোন কল পেয়েছেন।

নির্বাচনে বিজয় লাভের পর শেখ হাসিনার উষ্ণ শুভেচ্ছার জন্য মোদি তাকে ধন্যবাদ জানান।মোদি বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, যা গত এক দশকে নজিরবিহীনভাবে জোরদার হয়েছে।” এক্স-এর মাধ্যমে শেয়ার করা এক বার্তায় মোদি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণমুখী অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে তিনি একসঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।

দুই নেতা বিকশিত ভারত ২০৪৭ এবং স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ অর্জনের লক্ষ্যে নবায়নকৃত আদেশের অধীনে ঐতিহাসিক ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও গভীর করার জন্য একসাথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। যেভাবে অতীতে করেছেন, সেইভাবে ভবিষ্যতে করবেন।

এম.নাসির/৮

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

Prime Minister in New Delhi:

নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লি পৌছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শনিবার (৮ জুন) দুপুরে তিনি নয়াদিল্লিতে পৌছান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লী যান তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে এবং এবংসাড়ে ১২টার দিকে তিনি দিল্লি পৌঁছেন।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে একটি উচ্চ পর্যায়ের ভারতীয় প্রতিনিধিদল এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান ও প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদসহ হাইকমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ফাইল ফটো

আগামীকাল রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন।

পরে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যোগ দেবেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোববার নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। পরবর্তীতে, তিনি নয়াদিল্লি ত্যাগ করতে সোমবার বিকেল ৫টায় (নয়াদিল্লি সময়) পালাম এয়ার ফোর্স স্টেশনে পৌঁছাবেন এবং একই দিন রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময়) তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে কথোপকথনের সময় তার সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। শেখ হাসিনা এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।

মোদি ৯ জুন সন্ধ্যায় শপথ নিবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯৩টি আসনে বিজয়ী হয়েছে যেখানে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট ২৩৪টি আসন পেয়েছে।

শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহে এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল সহ বিশ্ব নেতারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন। এতে ৮ হাজারের বেশি বিশিষ্টজন উপস্থিত হবেন বলে বলে আশা করা হচ্ছে। মোদিকে অভিনন্দন জ্ঞাপনকারী প্রথম বিদেশী নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন অন্যতম যা দুই নেতার মধ্যে উষ্ণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতিফলন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) নিরঙ্কুশ বিজয় লাভে নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনন্দন বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের নেতা হিসাবে, আপনি ভারতের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বহন করেন।”

ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো জানিয়েছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ বিজয় লাভ করার পর নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনার কাছ থেকে একটি অভিনন্দন টেলিফোন কল পেয়েছেন।

নির্বাচনে বিজয় লাভের পর শেখ হাসিনার উষ্ণ শুভেচ্ছার জন্য মোদি তাকে ধন্যবাদ জানান।মোদি বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, যা গত এক দশকে নজিরবিহীনভাবে জোরদার হয়েছে।” এক্স-এর মাধ্যমে শেয়ার করা এক বার্তায় মোদি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণমুখী অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে তিনি একসঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।

দুই নেতা বিকশিত ভারত ২০৪৭ এবং স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ অর্জনের লক্ষ্যে নবায়নকৃত আদেশের অধীনে ঐতিহাসিক ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও গভীর করার জন্য একসাথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। যেভাবে অতীতে করেছেন, সেইভাবে ভবিষ্যতে করবেন।

এম.নাসির/৮