ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

তিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ২৮ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

তিন দেশের রাষ্ট্রদূতদের পৃথকভাবে পরিচয়পত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে ফিনল্যান্ডের কিমো লাহদেভির্তা, গুয়াতেমালার ওমর কাস্তানেদা সোলারেস এবং আয়ারল্যান্ডের কেভিন কেলি পরিচয় পেশ করেন।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সকল দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধিতে আগ্রহী।

তিনি বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং দু’দেশের জনগণের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে বিরাজমান বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূতদেরকে দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনাময় খাতসমূহে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান রাষ্ট্রপ্রধান।

তিনি পারস্পরিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের কথা ও উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের মানবিক বিবেচনায় আশ্রয় দিলেও বর্তমানে এটি একটি জটিল আর্থ-সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

তিনি রোহিঙ্গাদের সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে বন্ধুরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে দূতগণ নিজ নিজ দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে তাদের আগ্রহের কথা জানান। তারা সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ এর ক্ষয়ক্ষতির জন্য দুঃখ ও সহানুভূতি প্রকাশ করেন।

রিমালসহ বাংলাদেশের নানা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকার এবং জনগণের সাফল্যের ও প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূতগণ।

রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এম.নাসির/২৮


Under PSC:

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পিএসসির অধীন করার সুপারিশ

বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোটার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির (বর্তমানে গ্রেড হিসেবে পরিচিত) নিয়োগ হয় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) অধীনে। আর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ হয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের অধীনে। এখন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগও পিএসসির অধীন করার সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি কমিটি। এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোটার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের প্রথম শ্রেণির বলা হয়। ১০ থেকে ১২তম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বলা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির। আর ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের কর্মচারীদের বলা হয় তৃতীয় শ্রেণি এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বলা হয় চতুর্থ শ্রেণির।

যদিও ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আর এই শ্রেণিভিত্তিক পরিচয় নেই। সবাইকে গ্রেড হিসেবে বলা হয়। যদিও বাস্তবে এখনো শ্রেণিভিত্তিক হিসেবেই বলা হয়ে থাকে।
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে আলাদা কর্তৃপক্ষ হবে নাকি পিএসসির অধীনে হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটি গত জানুয়ারিতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এই কমিটি ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে সরকারি কর্মচারী নিয়োগের জন্য পিএসসিকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করেছে। পিএসসি বলছে, তারা এটি করতে সক্ষম হবে। তবে ওই কমিটির সুপারিশই চূড়ান্ত নয় বলেও উল্লেখ করেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এটা নিয়ে আরও চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটি এখনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এটি পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থাৎ কি করা হবে সেটি এখনো প্রক্রিয়াধীন আছে।

বিএসআরএফ আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসনমন্ত্রী

এম.নাসির/২৮

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

 

তিন দেশের রাষ্ট্রদূতদের পৃথকভাবে পরিচয়পত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে ফিনল্যান্ডের কিমো লাহদেভির্তা, গুয়াতেমালার ওমর কাস্তানেদা সোলারেস এবং আয়ারল্যান্ডের কেভিন কেলি পরিচয় পেশ করেন।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সকল দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধিতে আগ্রহী।

তিনি বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং দু’দেশের জনগণের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে বিরাজমান বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূতদেরকে দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনাময় খাতসমূহে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান রাষ্ট্রপ্রধান।

তিনি পারস্পরিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের কথা ও উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের মানবিক বিবেচনায় আশ্রয় দিলেও বর্তমানে এটি একটি জটিল আর্থ-সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

তিনি রোহিঙ্গাদের সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে বন্ধুরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে দূতগণ নিজ নিজ দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে তাদের আগ্রহের কথা জানান। তারা সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ এর ক্ষয়ক্ষতির জন্য দুঃখ ও সহানুভূতি প্রকাশ করেন।

রিমালসহ বাংলাদেশের নানা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকার এবং জনগণের সাফল্যের ও প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূতগণ।

রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এম.নাসির/২৮


Under PSC:

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পিএসসির অধীন করার সুপারিশ

বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোটার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির (বর্তমানে গ্রেড হিসেবে পরিচিত) নিয়োগ হয় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) অধীনে। আর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ হয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের অধীনে। এখন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগও পিএসসির অধীন করার সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি কমিটি। এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোটার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের প্রথম শ্রেণির বলা হয়। ১০ থেকে ১২তম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বলা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির। আর ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের কর্মচারীদের বলা হয় তৃতীয় শ্রেণি এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বলা হয় চতুর্থ শ্রেণির।

যদিও ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আর এই শ্রেণিভিত্তিক পরিচয় নেই। সবাইকে গ্রেড হিসেবে বলা হয়। যদিও বাস্তবে এখনো শ্রেণিভিত্তিক হিসেবেই বলা হয়ে থাকে।
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে আলাদা কর্তৃপক্ষ হবে নাকি পিএসসির অধীনে হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটি গত জানুয়ারিতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এই কমিটি ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে সরকারি কর্মচারী নিয়োগের জন্য পিএসসিকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করেছে। পিএসসি বলছে, তারা এটি করতে সক্ষম হবে। তবে ওই কমিটির সুপারিশই চূড়ান্ত নয় বলেও উল্লেখ করেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এটা নিয়ে আরও চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটি এখনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এটি পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থাৎ কি করা হবে সেটি এখনো প্রক্রিয়াধীন আছে।

বিএসআরএফ আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসনমন্ত্রী

এম.নাসির/২৮