ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

সেহরিতে যা খাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪ ৯৫ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

Sehri :

আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় রোজা। সময়ের আবর্তে আবারও এসে গেল ইসলামিক ক্যালেন্ডারের পবিত্রতম মাস রমজান। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলিম প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান পালন করছেন। এসময় মুসলিমদের জন্য মাসব্যাপী রোজা রাখা বাধ্যতামূলক এবং এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি।

এই রমজান মাসের গুরুত্ব মুসলিমদের জন্য অনেক বেশি। এই মাসটা ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন।

ভোররাতে উঠে সাহরি খেয়ে রোজা শুরু করেন তারা। এরপর মাগরিবের আজানের সঙ্গে রোজা ভেঙে ফেলেন ইফতারি খেয়ে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল নিতে হবে।

সেহরিতে যা খাওয়া উচিত
• শর্করাযুক্ত খাবার দেহে শক্তির জোগান দেয়। বিশেষ করে দানাদার শস্যের তৈরি খাবার, যেমন : ওটস, ব্রাউন রাইস, বার্লি ইত্যাদি খাবার অনেকটা সময়ের জন্য দেহে শক্তির জোগান দেয়। তাই এজাতীয় খাবার সাহরিতে খাওয়া উচিত।
এতে দেহে সারা দিনের শক্তি সঞ্চয় হবে।

• ফলমূল ও সবজিতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ। এছাড়াও দেহের পানির স্বল্পতা দূর করতেও অবদান রাখে। বিশেষ করে তরমুজ, কমলার মতো ফল এবং শসা, টমেটোর মতো সবজি দেহের পানির ঘাটতি দূর করে। সেহরিতে সালাদ হিসেবে বা এমনিও খেতে পারেন এসব ফল ও সবজি।

• প্রোটিনযুক্ত খাবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করতে সাহায্য করে। রোজা রেখে দৈনন্দিন কাজকর্মে সক্রিয় থাকার জন্য সাহরিতে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। বিশেষ করে দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, চর্বিহীন মাংস, মাছ এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মাঝে মটরশুঁটি, মসুর ডাল, ছোলা, বাদাম এসব খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

• কিছু চর্বিযুক্ত খাবার আছে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। সেগুলোে সেহরিতে যুক্ত করতে পারেন। যেমন : অ্যাভোকাডো, বাদাম, জলপাইয়ের তেল এবং স্যালমনের মতো স্বল্প চর্বিযুক্ত মাছ এসব চাইলে খেতে পারেন সেহরিতে।

• রোজায় পানিশূন্যতার মতো সমস্যা অনেকেরই দেখা দেয়। এ জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। এ ছাড়াও চিনিমুক্ত ফলের রস, ডাবের পানি বা ভেষজ চা-ও খেতে পারেন।

সেহরিতে যা খাবেন না :

• অতিরিক্ত তেল বা অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার অস্বস্তির কারণ হতে পারে। সারা দিন রোজা রেখে শারীরিক অস্বস্তির সৃষ্টি যেন না হয় সে জন্যই সেহরিতে এজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

• অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এতে শর্করার মাত্রা ওঠা-নামা করতে পারে যার ফলে শক্তি সঞ্চিত থাকতে সমস্যা হতে পারে। চেষ্টা করবেন সাদা চিনি এড়িয়ে চলার জন্য। এর বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন গুড়, মধু বা এজাতীয় খাবার।

• লবণাক্ত খাবার বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বাড়তে পারে। সেহরিতে এ রকম খাবার এ জন্য এড়িয়ে চলাই ভালো।

• ঝাল মসলাযুক্ত খাবার খালি পেটে খেলে অস্বস্তি ও অম্বল হতে পারে। যদি সাহরিতে এজাতীয় খাবার খান তাহলে সারা দিন অস্বস্তিতে ভুগতে পারেন। তাই এগুলো না খাওয়াই ভালো। অনেকেই আছেন ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেতে পছন্দ করে। সেহরিতে সেটিও এড়িয়ে চলা উচিত।

• ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়, যেমন : চা, কফি এগুলো অতিরিক্ত পান করলে পানি পান করার তৃষ্ণা বেড়ে যায়। তাই চা-কফিপ্রেমীদের সেহরিতে এগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। একান্ত না পারলে ভেষজ চা খেতে পারেন। কারণ সেগুলো ক্যাফেইনমুক্ত।

কিছু পুষ্টিবিদ একবারে বেশি খাওয়ার পরিবর্তে ইফতারের খাবারকে দুটি ভাগে ভাগ করার পরামর্শ দেন। কারণ তা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বদহজমের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

যুক্তরাজ্যের পুষ্টিবিদ এবং ডায়েটিশিয়ান নাজিমা কুরেশির মতে ইফতারিতে সপ্তাহে একদিন বেশি খাওয়া হয়ে গেলে তেমন সমস্যা নেই কিন্তু সেটা যেন প্রতিদিন না হয়।

তার মতে, অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে আপনি অনুভব করবেন যে আপনি স্বাভাবিকের চেয়ে দুর্বল বোধ করছেন এবং পরদিনের রোজার জন্য উৎসাহ পাচ্ছেন না।

সেক্ষেত্রে তার পরামর্শ পানি দিয়ে ইফতার শুরু করে খেজুর ও কিছু ফল খেয়ে প্রার্থনা শেষ করে নেয়া। এরপর বাকি খাওয়াদাওয়া করা। যে কোনও খাবারই হোক না কেন সেখানে যেন প্রোটিন, শর্করা জাতীয় খাবার ও সবজি থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে রমজান মাসে রোজা রাখা হজমের প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব রাখতে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

ক্যামব্রিজের এডেনব্রুকস হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিনের কনসালট্যান্ট ড. রাজিন মাহরুফের মতে, রোজা রাখা শরীরের জন্য ভালো। কারণ এটি আমরা কী খাই এবং কখন খাই সেটার ওপর আমাদের মনোযোগ দিতে সাহায্য করে।

তবে রমজান মাসের বাইরে একটানা রোজা রাখাটা নিরুৎসাহিত করছেন তিনি। কারণ একটা সময় আপনার শরীর চর্বি গলিয়ে তা শক্তিতে পরিণত করার কাজ বন্ধ করে দেবে। তখন এটি শক্তির জন্য নির্ভর করবে মাংসপেশির ওপর। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কারণ আপনার শরীর তখন ক্ষুধায় ভুগবে বলছিলেন তিনি।

আবার পুষ্টিবিদ ব্রিজেট বেনেলামের মতে রমজানের সময় সাধারণত এক কেজির মতো ওজন কমতে পারে কিন্তু ইফতারে বেশি খাওয়া দাওয়া হলে ওজন উল্টো বেড়েও যেতে পারে।

ইফতারের টেবিলে হরেক রকম খাবার থাকলে বেশি খাওয়ার প্রবণতাও তৈরি হতেই পারে। তবে তার মতে, সামনে যা থাকবে সবই খাওয়ার প্রয়োজন নেই, তাই বেছে বেছে খাবার নিন এবং ধীরে ধীরে খান।

সেহরি বা ইফতার যে কোনও ক্ষেত্রেই অন্তত তেমন খাবার নিশ্চিত করতে হবে যেন শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি পায়।

/শিল্পী/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সেহরিতে যা খাবেন

আপডেট সময় : ০১:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

Sehri :

আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় রোজা। সময়ের আবর্তে আবারও এসে গেল ইসলামিক ক্যালেন্ডারের পবিত্রতম মাস রমজান। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলিম প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান পালন করছেন। এসময় মুসলিমদের জন্য মাসব্যাপী রোজা রাখা বাধ্যতামূলক এবং এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি।

এই রমজান মাসের গুরুত্ব মুসলিমদের জন্য অনেক বেশি। এই মাসটা ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন।

ভোররাতে উঠে সাহরি খেয়ে রোজা শুরু করেন তারা। এরপর মাগরিবের আজানের সঙ্গে রোজা ভেঙে ফেলেন ইফতারি খেয়ে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল নিতে হবে।

সেহরিতে যা খাওয়া উচিত
• শর্করাযুক্ত খাবার দেহে শক্তির জোগান দেয়। বিশেষ করে দানাদার শস্যের তৈরি খাবার, যেমন : ওটস, ব্রাউন রাইস, বার্লি ইত্যাদি খাবার অনেকটা সময়ের জন্য দেহে শক্তির জোগান দেয়। তাই এজাতীয় খাবার সাহরিতে খাওয়া উচিত।
এতে দেহে সারা দিনের শক্তি সঞ্চয় হবে।

• ফলমূল ও সবজিতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ। এছাড়াও দেহের পানির স্বল্পতা দূর করতেও অবদান রাখে। বিশেষ করে তরমুজ, কমলার মতো ফল এবং শসা, টমেটোর মতো সবজি দেহের পানির ঘাটতি দূর করে। সেহরিতে সালাদ হিসেবে বা এমনিও খেতে পারেন এসব ফল ও সবজি।

• প্রোটিনযুক্ত খাবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করতে সাহায্য করে। রোজা রেখে দৈনন্দিন কাজকর্মে সক্রিয় থাকার জন্য সাহরিতে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। বিশেষ করে দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, চর্বিহীন মাংস, মাছ এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মাঝে মটরশুঁটি, মসুর ডাল, ছোলা, বাদাম এসব খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

• কিছু চর্বিযুক্ত খাবার আছে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। সেগুলোে সেহরিতে যুক্ত করতে পারেন। যেমন : অ্যাভোকাডো, বাদাম, জলপাইয়ের তেল এবং স্যালমনের মতো স্বল্প চর্বিযুক্ত মাছ এসব চাইলে খেতে পারেন সেহরিতে।

• রোজায় পানিশূন্যতার মতো সমস্যা অনেকেরই দেখা দেয়। এ জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। এ ছাড়াও চিনিমুক্ত ফলের রস, ডাবের পানি বা ভেষজ চা-ও খেতে পারেন।

সেহরিতে যা খাবেন না :

• অতিরিক্ত তেল বা অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার অস্বস্তির কারণ হতে পারে। সারা দিন রোজা রেখে শারীরিক অস্বস্তির সৃষ্টি যেন না হয় সে জন্যই সেহরিতে এজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

• অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এতে শর্করার মাত্রা ওঠা-নামা করতে পারে যার ফলে শক্তি সঞ্চিত থাকতে সমস্যা হতে পারে। চেষ্টা করবেন সাদা চিনি এড়িয়ে চলার জন্য। এর বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন গুড়, মধু বা এজাতীয় খাবার।

• লবণাক্ত খাবার বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বাড়তে পারে। সেহরিতে এ রকম খাবার এ জন্য এড়িয়ে চলাই ভালো।

• ঝাল মসলাযুক্ত খাবার খালি পেটে খেলে অস্বস্তি ও অম্বল হতে পারে। যদি সাহরিতে এজাতীয় খাবার খান তাহলে সারা দিন অস্বস্তিতে ভুগতে পারেন। তাই এগুলো না খাওয়াই ভালো। অনেকেই আছেন ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেতে পছন্দ করে। সেহরিতে সেটিও এড়িয়ে চলা উচিত।

• ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়, যেমন : চা, কফি এগুলো অতিরিক্ত পান করলে পানি পান করার তৃষ্ণা বেড়ে যায়। তাই চা-কফিপ্রেমীদের সেহরিতে এগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। একান্ত না পারলে ভেষজ চা খেতে পারেন। কারণ সেগুলো ক্যাফেইনমুক্ত।

কিছু পুষ্টিবিদ একবারে বেশি খাওয়ার পরিবর্তে ইফতারের খাবারকে দুটি ভাগে ভাগ করার পরামর্শ দেন। কারণ তা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বদহজমের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

যুক্তরাজ্যের পুষ্টিবিদ এবং ডায়েটিশিয়ান নাজিমা কুরেশির মতে ইফতারিতে সপ্তাহে একদিন বেশি খাওয়া হয়ে গেলে তেমন সমস্যা নেই কিন্তু সেটা যেন প্রতিদিন না হয়।

তার মতে, অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে আপনি অনুভব করবেন যে আপনি স্বাভাবিকের চেয়ে দুর্বল বোধ করছেন এবং পরদিনের রোজার জন্য উৎসাহ পাচ্ছেন না।

সেক্ষেত্রে তার পরামর্শ পানি দিয়ে ইফতার শুরু করে খেজুর ও কিছু ফল খেয়ে প্রার্থনা শেষ করে নেয়া। এরপর বাকি খাওয়াদাওয়া করা। যে কোনও খাবারই হোক না কেন সেখানে যেন প্রোটিন, শর্করা জাতীয় খাবার ও সবজি থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে রমজান মাসে রোজা রাখা হজমের প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব রাখতে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

ক্যামব্রিজের এডেনব্রুকস হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিনের কনসালট্যান্ট ড. রাজিন মাহরুফের মতে, রোজা রাখা শরীরের জন্য ভালো। কারণ এটি আমরা কী খাই এবং কখন খাই সেটার ওপর আমাদের মনোযোগ দিতে সাহায্য করে।

তবে রমজান মাসের বাইরে একটানা রোজা রাখাটা নিরুৎসাহিত করছেন তিনি। কারণ একটা সময় আপনার শরীর চর্বি গলিয়ে তা শক্তিতে পরিণত করার কাজ বন্ধ করে দেবে। তখন এটি শক্তির জন্য নির্ভর করবে মাংসপেশির ওপর। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কারণ আপনার শরীর তখন ক্ষুধায় ভুগবে বলছিলেন তিনি।

আবার পুষ্টিবিদ ব্রিজেট বেনেলামের মতে রমজানের সময় সাধারণত এক কেজির মতো ওজন কমতে পারে কিন্তু ইফতারে বেশি খাওয়া দাওয়া হলে ওজন উল্টো বেড়েও যেতে পারে।

ইফতারের টেবিলে হরেক রকম খাবার থাকলে বেশি খাওয়ার প্রবণতাও তৈরি হতেই পারে। তবে তার মতে, সামনে যা থাকবে সবই খাওয়ার প্রয়োজন নেই, তাই বেছে বেছে খাবার নিন এবং ধীরে ধীরে খান।

সেহরি বা ইফতার যে কোনও ক্ষেত্রেই অন্তত তেমন খাবার নিশ্চিত করতে হবে যেন শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি পায়।

/শিল্পী/