ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৭৮ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফর্সা হতে কে না চায়! আজকালকার ছেলে-মেয়েরা বরাবরই রূপ সচেতন। মানুষের গায়ের রঙয়ের কাছে, গুণগুলো ঢাকা পরে যাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে মানুষ সৌন্দর্যের পিপাসু। সৌন্দর্য নারীদের অলংকার স্বরূপ। তাই, নারীরা সবসময় নিজেদের সুন্দর রাখতে চায়।

মানুষ সৌন্দর্যের পাগল। সৌন্দর্য নারীদের অলংকার। নারীরা সবসময় নিজেদেরকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখতে চায় এবং সুন্দর হতে চায়। সেই সূত্র ধরে নারীরা বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করে আসছে। বর্তমানে সব নারীরাই ফর্সা হওয়ার উপায় খুজে। নারীরা সৌন্দর্যের চর্চায় নানা ধরণের প্রসাধনী ব্যবহার করে আসছে।

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

নারীদের ফর্সা হওয়ার উপায় হচ্ছে ক্রিম। বেশির ভাগ মানুষই ফর্সা হওয়ার ক্রিম খুঁজে। কোন ক্রিম ভালো কোন ক্রিম খারাপ অনেকেই বুঝে উঠতে পারে না। অনেকে অন্যের দেখাদেখি বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে। অনেকে কমদামি ক্রিম ব্যবহার করে ত্বক এর সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলে। নারীদের প্রসাধনী ও ত্বকের যত্নের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ক্রিম নির্মাতা ও প্রসাধনী কোম্পানি গুলো ত্বত ফর্সা ও স্মুথ ও ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ক্রিম তৈরি করে থাকে। নানা ধরনের ত্বক ফর্সা করে এমন ক্রিম আপনাকে স্থায়ীভাবে ফর্সা করে তুলবে।

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম
ফাইল ফটো

তবে আপনাকে অবশ্যই ফর্সা হওয়ার সঠিক ও ভালো মানের ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। বাজারে পাওয়া নিম্নমানের ক্রিম ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এইজন্য সবার আগে আপনাকে ফর্সা হওয়ার সঠিক ক্রিমের নাম জানতে হবে। আজ এই আর্টিকেলে ফর্সা হওয়ার কিছু ডাক্তারি ক্রিম সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা দেবো। তাহলে চলুন দেরি না করে আর্টিকেল শুরু করা যাক:

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

বর্তমানে যুগে এসে মানুষ ফর্সা হওয়ার জন্য নানা ধরনের জিনিস ব্যবহার করে থাকেন। তবে ফর্সা হওয়ার জন্য এসব জিনিস ব্যবহারের আগে আপনার স্কিন সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। কারণ সবার স্কিন সবকিছুর উপযোগী হয় না। তবে ফর্সা হওয়ার জন্য এমন কিছু কিছু ডাক্তারি ক্রিম রয়েছে যা আপনি ব্যবহার করতে পারেন। চলুন ফর্সা হওয়ার কিছু ডাক্তারি ক্রিমের নাম জেনে নিই:

১) Lotus Herbal Night Cream

লোটাস হারবাল নাইট ক্রিমে আছে আঙ্গুর, তুঁত, সাক্সিফ্রাগা নির্যাস এবং দুধের এনজাইম—যা ত্বককে সতেজ, তেলতেলে এবং ক্ষতিকারক UVA এবং UVB রশ্মি থেকে রক্ষা করে। দূষিত আবহাওয়া আমাদের ত্বককে নষ্ট করে দেয়। আমাদের মুখ সব সময় খোলা থাকর কারনে পিগমেন্টেশন, দাগ এবং নিস্তেজ দেখায়। এই ক্রিমটি আমাদের ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।রাতে এই ক্রিমটি ব্যবহারের ফলে ক্রিমটি সারারাত ধরে পিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলে। এই ক্রিম ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বক হবে উজ্জ্বল, মসৃণ এবং তারুণ্যের মতো।

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমানোর আগে আপনার মুখ ভালভাবে পরিষ্কার করে নিন। এবার আপনার হাতের আঙুলে পরিমাণ মত ক্রিম নিয়ে আপনার মুখ ও ঘাড়ে আলতো ভাবে লাগিয়ে নিন।

২)Himalaya Revitalizing Night Cream
হোয়াইট লিলি এবং টমেটোসহ হিমালয়া রিভাইটালাইজিং নাইট ক্রিম ত্বকের যত্নে ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে। এ ক্রিমটি ত্বকে পুনর্নবীকরণ চক্রের মাধ্যমে রাতারাতি কাজ করে। হিমালয়া রিভাইটালাইজিং নাইট ক্রিমে যে সকল উপাদান আছে তা ত্বক নরম, কোমল এবং ত্বককে সতেজ করতে সাহায্য করে।হোয়াইট লিলির অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ত্বকের প্রতিদিনের বিভিন্ন ক্ষতির উপস্থিতি হ্রাস করে।আর টমেটোতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড এবং আলফা হাইড্রক্সি এসিড ত্বককে নরম ও ত্বকের মৃত কোষকে জীবিত করতে সাহায্য করে। এজন্য ত্বক হয়ে উঠে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

৩) Olay Natural White Beauty All In One Fairness Cream
ক্রিমটিতে রয়েছে ট্রিপল ভিটামিন সিস্টেম। যা আপনার ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করবে। ট্রিপল ভিটামিন সিস্টেমের সাথে আরও রয়েছে প্রো-ভিটামিন বি 5, ভিটামিন বি, এবং ভিটামিন ই যা আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করবে, কালো দাগ দূর করবে এবং ত্বক সতেজ করবে। ত্বকের প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে আছে SPF-24।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

৪)Pond’s Gold Radiance Youthful Night Repair Cream
ক্রিমটি ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন এ ও পালমিটেট এর মতো উপাদান দিয়ে তৈরি।যা আপনার ত্বকের নিজস্ব তারুণ্যের উজ্জ্বলতাপুনরুজ্জীবি করবে।এই ক্রিমে ভিটামিন এ-এর ভালো উপাদান রয়েছে যা ত্বকের কন্ডিশনিং সুবিধা প্রদান করতে সাহায্য করে।এবং ভিটামিন-বি৩ আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং বয়সের ছাপ দূর করে। ত্বকের কোষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা দূর্বল হয়ে পড়ে এবং ক্লান্ত হয়ে পড়ে তাদের অত্যাবশ্যক অভ্যন্তরীণ শক্তি সময়ের সাথে সাথে নিস্তেজ হয়ে যায় (কুঁচকে, বয়সের দাগ)। পন্ডস গোল্ড ত্বকের যত্নের জন্য বিলাসবহুল সোনার উপাদান ব্যবহার করেছেন। যা আপনার যৌবনের উজ্জ্বলতা পুনরুজ্জীবিত করবে, প্রাণবন্ত হবে, ত্বকের তারুণ্যতা ফিরে আসবে। নন-কমেডোজেনিক। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষিত।

Pond’s Gold Radiance Youthful Night Repair Cream
ফাইল ফটো

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমানোর আগে আপনার মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করার পর ক্রিমটি ব্যবহার করুন।নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার মুখ ও ঘাড়ে আশ্চর্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন

৫) L’Oreal Paris White Perfect Night Cream
এই ক্রিম টি মূল্যবান Tourmaline রত্ন পাথর দিয়ে তৈরি। যা ত্বকে প্রবেশ করে ত্বকে গোলাপি আভা সৃষ্টি করে। মেলানিনের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে রয়েছে উন্নত মেলানো ব্লক টিএম । যা ত্বক কালো হওয়া থেকে ও ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ক্রিমটি ভিটামিন ই যুক্ত যা রাতের বেলা ফ্রি রেডিয়াল গুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে। ক্রিমটি ব্যবহারের পর আপনার মুখে স্বস্তি বোধ হবে, ত্বক উজ্জ্বল হবে এবং তারুণ্য চেহারা হবে।

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এরপর মুখে ও ঘাড়ে ব্যবহার করুন।

৬)Lakme Absolute Perfect Radiance Brightening Night Cream
ল্যাকমি ফেয়ারনেস নাইট ক্রিমে রয়েছে ক্রিস্টালের উচ্চ রেজুলেশন সেই সাথে উজ্জ্বলকারী ভিটামিন। । ক্রিমটিতে থাকা মূল্যবান মাইক্রো ক্রিস্টাল এবং ত্বক উজ্জ্বল করার এই ব্রাইটিং ক্ষমতা আপনার ত্বককে রাতে বেলাতে তীব্র ভাবে পুষ্টি জোগায় এবং উজ্জ্বল করে। এর ফলে আপনার চেহারা ফর্সা, উজ্জ্বল এবং মসৃণ হয়ে উঠে।

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমানোর আগে আপনার মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করার পর ক্রিমটি ব্যবহার করুন।নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার মুখ ও ঘাড়ে আশ্চর্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

৭) Garnier Skin Naturals Light Complete Serum Cream ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম
ক্রিমটি আছে জাপানী Yuzu Lemon। Yuzu Lemon লেবুর রাজা হিসেবে পরিচিত কারণ এতে ভিটামিন সি এর উচ্চ ঘনত্ব রয়েছে এবং এটি শক্তিশালী উজ্জ্বল এক্সফলিয়েটিং এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য বেশ পরিচিত।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

৮)Bella Vita Organic PapyBlem Pigmentation Blemish Cream
ক্রিমটি জাফরান এবং পেঁপে দিয়ে তৈরি যা পিগমেন্টেশন এবং কালো দাগ কমাতে বেশ কার্যকর। ক্রিমটি পেঁপের নির্যাসে হাইপার পিগমেন্টেশন কমানোর জন্য একটি দুর্দান্ত ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি করা। যা ত্বকের কালো ভাব এবং দাগ কমাতে সাহায্য করে থাকে। জাফরান ত্বকের উজ্জ্বলতা সৃষ্টির জন্য একটি দুর্দান্ত উপাদান। চন্দন এবং হলুদ কালো দাগ এবং ত্বককে উজ্জ্বল করতে আশ্চর্যজনক ভাবে কাজ করে। এই জেল ভিত্তিক ক্রিমটি সব ধরনের ত্বকের জন্য। এবং এটি ময়েশ্চারাইজ এবং মেকআপ বেস হিসেবে কাজ করে। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি দাগহীন ও উজ্জ্বল ত্বক পাবেন।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি উপায়

পুরুষ কিংবা মহিলা ফর্সা ত্বক পাওয়ার জন্য অনেক চিকিৎসা উপায় খুজে। কিন্তু আপনাদের এটা মনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে এই চিকিৎসা গুলি অনেক ব্যয়বহুল হতে পারে এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। ফর্সা ত্বক পাওয়ার জন্য কিছু সাধারণ চিকিৎসার রয়েছে। সেগুলো নিন্মে আলোচনা করা হল।

ব্লিচিং ক্রিম: এই ক্রিমগুলিতে এমন উপাদান রয়েছে যা ত্বক ফর্সা করতে সয়হতা করে। ব্লিচিং ক্রিমগুলি ত্বককে হালকা করে সাদা ত্বক বা ফর্সা ত্বকে পরিবর্তন করে। তবে, আপনারা অনেকেই এই ক্রিম ব্যবহারে বিরক্ত হতে পারেন এবং ত্বকে লালভাব, শুষ্কতা এবং খোসা ছাড়ানোর মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মত সমস্যায় পড়তে পারেন।

লেজার ট্রিটমেন্ট: লেজার ট্রিটমেন্টে ত্বকের উপরের স্তর দূর করতে ব্যবহার করা হয়। এটি ত্বককে হালকা করতে এবং বয়সের দাগ এবং অন্যান্য দাগ কমাতে সাহায্য করে। লেজারের চিকিৎসা কার্যকর হতে পারে, তবে সেগুলি ব্যয়বহুলও হতে পারে এবং লালভাব, ফোলাভাব এবং দাগের মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

মাইক্রোডার্মাব্রেশন: মাইক্রোডার্মাব্রেশন হল এক ধরণের ত্বকের চিকিৎসা যা ত্বকের উপরের স্তরটি অপসারণ করতে সয়হতা করে। এটি ত্বককে হালকা করতে এবং সূক্ষ্ম রেখা ও বলিরেখা কমাতে সাহায্য করতে পারে। মাইক্রোডার্মাব্রেশন কার্যকর হতে পারে, তবে এটি খুবই কষ্টদায়ক ও হতে পারে এবং লালভাব এবং ফুলে যাওয়া এর মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

ডার্মাব্রেশন: ডার্মাব্রেশন হল আরও আক্রমণাত্মক ধরণের ত্বকের চিকিৎসা যা ত্বকের উপরের স্তরটি অপসারণ করতে একটি ঘূর্ণায়মান ব্রাশ ব্যবহার করে। এটি ত্বককে হালকা করতে এবং গভীর দাগ ও বলিরেখা কমাতে সয়হতা করতে পারে। ডার্মাব্রেশন কার্যকর হতে পারে, তবে এটি দাগ এবং সংক্রমণের মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার সম্ভাবনাও বেশি।
আমরা উপরে যে কয়টি ত্বক ফর্সা করার ডাক্তারি উপায় জানি। এই উপায় গুলোর ভিতরে সব কয়টি খুবই কষ্টদায়ক চিকিৎসা। আমাদের মতে আপনি এই ভাবে ত্বক ফর্সা করা থেকে বিরত থাকুন। কারন, আপনি উপরের যে কয়টি পদ্ধতি দেখতে পাচ্ছেন। সব কয়টা পদ্ধতিতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত সমস্যা দেখা যাবে।

ফর্সা হওয়ার প্রাকৃতিক উপায়

আমাদের মতে, ফর্সা ত্বক অর্জনের জন্য প্রাকৃতিক পদ্ধতি বেছে নেওয়া উত্তম। ডাক্তারি চিকিৎসা পরবর্তীতে, প্রাকৃতিক পদ্ধতি চিকিৎসা গুলি নিরাপদ এবং দীর্ঘমেয়াদী ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এই পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করে, আপনি আপনার ত্বক উন্নত করতে পারবেন, এমনকি আপনার গায়ের রংকে ও উন্নত করতে পারবেন।

আপনার ত্বক ফর্সা করার জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য আপনার ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনার প্রতিদিনের খাবারে ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে যা আপনার ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়। এছাড়া, আপনাকে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পানি ত্বকের হাইড্রেটেড থাকা টক্সিনগুলিকে ফ্লাশ করতে সাহায্য করে এবং আপনার ত্বককে ভালভাবে হাইড্রেটেড রাখে, যার ফলে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যন্ত নেওয়া যাই।

আপনারা যদি, নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ এ নিযুক্ত থাকেন, তাহলে কেবল আপনার শরীরের উপকার করে না বরং স্বাস্থ্যকর এবং ফর্সা ত্বকে অবদান রাখে। ব্যায়াম রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়, যা আপনার ত্বকের কোষগুলিতে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে সয়হতা করে। এছাড়া, এটি ঘামের মাধ্যমে বিষাক্ত পদার্থগুলিকে বের করে দিতে সয়হতা করে, আপনার ত্বককে ফর্সা করে।

আপনারা যদি, পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম পড়েন। তাহলে, আপনার ত্বকের স্বাস্থ্য এবং উজ্জ্বলতার জন্য ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময়, আপনার ত্বকেরর যত্ন এবং পুনরুজ্জীবনের মধ্য দিয়ে যায়, এটি প্রতিদিনের চাপ থেকে পুনরুদ্ধার করতে দেয়। খারাপ ঘুমের গুণমান নিস্তেজ, ক্লান্ত চেহারার ত্বক কালো হতে পারে। অতিরিক্তভাবে, ধ্যান, যোগব্যায়াম বা শখের মতো শিথিলকরণ কৌশলগুলির মাধ্যমে চাপের মাত্রা পরিচালনা করা স্ট্রেস-সম্পর্কিত ত্বকের সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করতে এবং আরও ফর্সা বর্ণকে উন্নীত করতে সাহায্য করতে পারে।

প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে একটি স্কিনকেয়ার রুটিন বানাতে পারেন। এতে করে, আপনার ত্বক ফর্সা হওয়ার জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। ক্লিনজার, টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার যুক্ত করুন যাতে প্রাকৃতিক নির্যাস। যেমনঃ অ্যালোভেরা, গ্রিন টি বা রোজশিপ অয়েল ইত্যাদি উপাদান দিয়ে একটি স্কিনকেয়ার বানাতে পারেন। এই উপাদানগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রশান্তিদায়ক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকে পুষ্টি প্রদান করে। আর! এটি ব্যবহার করার ফলে, আপনার স্কিন টোন পরিবর্তন করে থাকে।

অনেক সময়ে অত্যধিক সূর্যের তাপে কালো দাগ হতে পারে। ক্ষতিকারক UV রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা জন্য সানক্রিম ব্যবহার করা উচিত। আপনাকে ঘরের বাইরে বেরোনোর ​​আগে উচ্চ এসপিএফ রেটিং সহ সানস্ক্রিন লাগান, প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরুন এবং আপনার ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সর্বোচ্চ সূর্যেরর তাপ থেকে ছায়ায় থাকুন।

আপনারা যদি, প্রকৃতিক উপায়ে ত্বক ফর্সা করতে চান। তাহলে, অবশ্যই উপরের কয়েকটা নিয়ম মেনে চলকে পারেন। আমরা সব সময় যে কোন কিছু ট্রাই করার আগে। আপনাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি বলে মনে করি।

এম.নাসির/২

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩

ফর্সা হতে কে না চায়! আজকালকার ছেলে-মেয়েরা বরাবরই রূপ সচেতন। মানুষের গায়ের রঙয়ের কাছে, গুণগুলো ঢাকা পরে যাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে মানুষ সৌন্দর্যের পিপাসু। সৌন্দর্য নারীদের অলংকার স্বরূপ। তাই, নারীরা সবসময় নিজেদের সুন্দর রাখতে চায়।

মানুষ সৌন্দর্যের পাগল। সৌন্দর্য নারীদের অলংকার। নারীরা সবসময় নিজেদেরকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখতে চায় এবং সুন্দর হতে চায়। সেই সূত্র ধরে নারীরা বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করে আসছে। বর্তমানে সব নারীরাই ফর্সা হওয়ার উপায় খুজে। নারীরা সৌন্দর্যের চর্চায় নানা ধরণের প্রসাধনী ব্যবহার করে আসছে।

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

নারীদের ফর্সা হওয়ার উপায় হচ্ছে ক্রিম। বেশির ভাগ মানুষই ফর্সা হওয়ার ক্রিম খুঁজে। কোন ক্রিম ভালো কোন ক্রিম খারাপ অনেকেই বুঝে উঠতে পারে না। অনেকে অন্যের দেখাদেখি বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে। অনেকে কমদামি ক্রিম ব্যবহার করে ত্বক এর সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলে। নারীদের প্রসাধনী ও ত্বকের যত্নের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ক্রিম নির্মাতা ও প্রসাধনী কোম্পানি গুলো ত্বত ফর্সা ও স্মুথ ও ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ক্রিম তৈরি করে থাকে। নানা ধরনের ত্বক ফর্সা করে এমন ক্রিম আপনাকে স্থায়ীভাবে ফর্সা করে তুলবে।

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম
ফাইল ফটো

তবে আপনাকে অবশ্যই ফর্সা হওয়ার সঠিক ও ভালো মানের ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। বাজারে পাওয়া নিম্নমানের ক্রিম ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এইজন্য সবার আগে আপনাকে ফর্সা হওয়ার সঠিক ক্রিমের নাম জানতে হবে। আজ এই আর্টিকেলে ফর্সা হওয়ার কিছু ডাক্তারি ক্রিম সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা দেবো। তাহলে চলুন দেরি না করে আর্টিকেল শুরু করা যাক:

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

বর্তমানে যুগে এসে মানুষ ফর্সা হওয়ার জন্য নানা ধরনের জিনিস ব্যবহার করে থাকেন। তবে ফর্সা হওয়ার জন্য এসব জিনিস ব্যবহারের আগে আপনার স্কিন সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। কারণ সবার স্কিন সবকিছুর উপযোগী হয় না। তবে ফর্সা হওয়ার জন্য এমন কিছু কিছু ডাক্তারি ক্রিম রয়েছে যা আপনি ব্যবহার করতে পারেন। চলুন ফর্সা হওয়ার কিছু ডাক্তারি ক্রিমের নাম জেনে নিই:

১) Lotus Herbal Night Cream

লোটাস হারবাল নাইট ক্রিমে আছে আঙ্গুর, তুঁত, সাক্সিফ্রাগা নির্যাস এবং দুধের এনজাইম—যা ত্বককে সতেজ, তেলতেলে এবং ক্ষতিকারক UVA এবং UVB রশ্মি থেকে রক্ষা করে। দূষিত আবহাওয়া আমাদের ত্বককে নষ্ট করে দেয়। আমাদের মুখ সব সময় খোলা থাকর কারনে পিগমেন্টেশন, দাগ এবং নিস্তেজ দেখায়। এই ক্রিমটি আমাদের ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।রাতে এই ক্রিমটি ব্যবহারের ফলে ক্রিমটি সারারাত ধরে পিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলে। এই ক্রিম ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বক হবে উজ্জ্বল, মসৃণ এবং তারুণ্যের মতো।

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমানোর আগে আপনার মুখ ভালভাবে পরিষ্কার করে নিন। এবার আপনার হাতের আঙুলে পরিমাণ মত ক্রিম নিয়ে আপনার মুখ ও ঘাড়ে আলতো ভাবে লাগিয়ে নিন।

২)Himalaya Revitalizing Night Cream
হোয়াইট লিলি এবং টমেটোসহ হিমালয়া রিভাইটালাইজিং নাইট ক্রিম ত্বকের যত্নে ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে। এ ক্রিমটি ত্বকে পুনর্নবীকরণ চক্রের মাধ্যমে রাতারাতি কাজ করে। হিমালয়া রিভাইটালাইজিং নাইট ক্রিমে যে সকল উপাদান আছে তা ত্বক নরম, কোমল এবং ত্বককে সতেজ করতে সাহায্য করে।হোয়াইট লিলির অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ত্বকের প্রতিদিনের বিভিন্ন ক্ষতির উপস্থিতি হ্রাস করে।আর টমেটোতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড এবং আলফা হাইড্রক্সি এসিড ত্বককে নরম ও ত্বকের মৃত কোষকে জীবিত করতে সাহায্য করে। এজন্য ত্বক হয়ে উঠে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

৩) Olay Natural White Beauty All In One Fairness Cream
ক্রিমটিতে রয়েছে ট্রিপল ভিটামিন সিস্টেম। যা আপনার ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করবে। ট্রিপল ভিটামিন সিস্টেমের সাথে আরও রয়েছে প্রো-ভিটামিন বি 5, ভিটামিন বি, এবং ভিটামিন ই যা আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করবে, কালো দাগ দূর করবে এবং ত্বক সতেজ করবে। ত্বকের প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে আছে SPF-24।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

৪)Pond’s Gold Radiance Youthful Night Repair Cream
ক্রিমটি ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন এ ও পালমিটেট এর মতো উপাদান দিয়ে তৈরি।যা আপনার ত্বকের নিজস্ব তারুণ্যের উজ্জ্বলতাপুনরুজ্জীবি করবে।এই ক্রিমে ভিটামিন এ-এর ভালো উপাদান রয়েছে যা ত্বকের কন্ডিশনিং সুবিধা প্রদান করতে সাহায্য করে।এবং ভিটামিন-বি৩ আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং বয়সের ছাপ দূর করে। ত্বকের কোষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা দূর্বল হয়ে পড়ে এবং ক্লান্ত হয়ে পড়ে তাদের অত্যাবশ্যক অভ্যন্তরীণ শক্তি সময়ের সাথে সাথে নিস্তেজ হয়ে যায় (কুঁচকে, বয়সের দাগ)। পন্ডস গোল্ড ত্বকের যত্নের জন্য বিলাসবহুল সোনার উপাদান ব্যবহার করেছেন। যা আপনার যৌবনের উজ্জ্বলতা পুনরুজ্জীবিত করবে, প্রাণবন্ত হবে, ত্বকের তারুণ্যতা ফিরে আসবে। নন-কমেডোজেনিক। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষিত।

Pond’s Gold Radiance Youthful Night Repair Cream
ফাইল ফটো

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমানোর আগে আপনার মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করার পর ক্রিমটি ব্যবহার করুন।নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার মুখ ও ঘাড়ে আশ্চর্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন

৫) L’Oreal Paris White Perfect Night Cream
এই ক্রিম টি মূল্যবান Tourmaline রত্ন পাথর দিয়ে তৈরি। যা ত্বকে প্রবেশ করে ত্বকে গোলাপি আভা সৃষ্টি করে। মেলানিনের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে রয়েছে উন্নত মেলানো ব্লক টিএম । যা ত্বক কালো হওয়া থেকে ও ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ক্রিমটি ভিটামিন ই যুক্ত যা রাতের বেলা ফ্রি রেডিয়াল গুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে। ক্রিমটি ব্যবহারের পর আপনার মুখে স্বস্তি বোধ হবে, ত্বক উজ্জ্বল হবে এবং তারুণ্য চেহারা হবে।

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এরপর মুখে ও ঘাড়ে ব্যবহার করুন।

৬)Lakme Absolute Perfect Radiance Brightening Night Cream
ল্যাকমি ফেয়ারনেস নাইট ক্রিমে রয়েছে ক্রিস্টালের উচ্চ রেজুলেশন সেই সাথে উজ্জ্বলকারী ভিটামিন। । ক্রিমটিতে থাকা মূল্যবান মাইক্রো ক্রিস্টাল এবং ত্বক উজ্জ্বল করার এই ব্রাইটিং ক্ষমতা আপনার ত্বককে রাতে বেলাতে তীব্র ভাবে পুষ্টি জোগায় এবং উজ্জ্বল করে। এর ফলে আপনার চেহারা ফর্সা, উজ্জ্বল এবং মসৃণ হয়ে উঠে।

ব্যবহারবিধি:
রাতে ঘুমানোর আগে আপনার মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করার পর ক্রিমটি ব্যবহার করুন।নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার মুখ ও ঘাড়ে আশ্চর্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

৭) Garnier Skin Naturals Light Complete Serum Cream ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম
ক্রিমটি আছে জাপানী Yuzu Lemon। Yuzu Lemon লেবুর রাজা হিসেবে পরিচিত কারণ এতে ভিটামিন সি এর উচ্চ ঘনত্ব রয়েছে এবং এটি শক্তিশালী উজ্জ্বল এক্সফলিয়েটিং এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য বেশ পরিচিত।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

৮)Bella Vita Organic PapyBlem Pigmentation Blemish Cream
ক্রিমটি জাফরান এবং পেঁপে দিয়ে তৈরি যা পিগমেন্টেশন এবং কালো দাগ কমাতে বেশ কার্যকর। ক্রিমটি পেঁপের নির্যাসে হাইপার পিগমেন্টেশন কমানোর জন্য একটি দুর্দান্ত ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি করা। যা ত্বকের কালো ভাব এবং দাগ কমাতে সাহায্য করে থাকে। জাফরান ত্বকের উজ্জ্বলতা সৃষ্টির জন্য একটি দুর্দান্ত উপাদান। চন্দন এবং হলুদ কালো দাগ এবং ত্বককে উজ্জ্বল করতে আশ্চর্যজনক ভাবে কাজ করে। এই জেল ভিত্তিক ক্রিমটি সব ধরনের ত্বকের জন্য। এবং এটি ময়েশ্চারাইজ এবং মেকআপ বেস হিসেবে কাজ করে। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি দাগহীন ও উজ্জ্বল ত্বক পাবেন।

ব্যবহারবিধি:
সারা মুখে অল্প পরিমাণে লাগিয়ে বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক থেকে ম্যাসাজ করতে হবে।

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি উপায়

পুরুষ কিংবা মহিলা ফর্সা ত্বক পাওয়ার জন্য অনেক চিকিৎসা উপায় খুজে। কিন্তু আপনাদের এটা মনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে এই চিকিৎসা গুলি অনেক ব্যয়বহুল হতে পারে এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। ফর্সা ত্বক পাওয়ার জন্য কিছু সাধারণ চিকিৎসার রয়েছে। সেগুলো নিন্মে আলোচনা করা হল।

ব্লিচিং ক্রিম: এই ক্রিমগুলিতে এমন উপাদান রয়েছে যা ত্বক ফর্সা করতে সয়হতা করে। ব্লিচিং ক্রিমগুলি ত্বককে হালকা করে সাদা ত্বক বা ফর্সা ত্বকে পরিবর্তন করে। তবে, আপনারা অনেকেই এই ক্রিম ব্যবহারে বিরক্ত হতে পারেন এবং ত্বকে লালভাব, শুষ্কতা এবং খোসা ছাড়ানোর মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মত সমস্যায় পড়তে পারেন।

লেজার ট্রিটমেন্ট: লেজার ট্রিটমেন্টে ত্বকের উপরের স্তর দূর করতে ব্যবহার করা হয়। এটি ত্বককে হালকা করতে এবং বয়সের দাগ এবং অন্যান্য দাগ কমাতে সাহায্য করে। লেজারের চিকিৎসা কার্যকর হতে পারে, তবে সেগুলি ব্যয়বহুলও হতে পারে এবং লালভাব, ফোলাভাব এবং দাগের মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

মাইক্রোডার্মাব্রেশন: মাইক্রোডার্মাব্রেশন হল এক ধরণের ত্বকের চিকিৎসা যা ত্বকের উপরের স্তরটি অপসারণ করতে সয়হতা করে। এটি ত্বককে হালকা করতে এবং সূক্ষ্ম রেখা ও বলিরেখা কমাতে সাহায্য করতে পারে। মাইক্রোডার্মাব্রেশন কার্যকর হতে পারে, তবে এটি খুবই কষ্টদায়ক ও হতে পারে এবং লালভাব এবং ফুলে যাওয়া এর মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

ডার্মাব্রেশন: ডার্মাব্রেশন হল আরও আক্রমণাত্মক ধরণের ত্বকের চিকিৎসা যা ত্বকের উপরের স্তরটি অপসারণ করতে একটি ঘূর্ণায়মান ব্রাশ ব্যবহার করে। এটি ত্বককে হালকা করতে এবং গভীর দাগ ও বলিরেখা কমাতে সয়হতা করতে পারে। ডার্মাব্রেশন কার্যকর হতে পারে, তবে এটি দাগ এবং সংক্রমণের মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার সম্ভাবনাও বেশি।
আমরা উপরে যে কয়টি ত্বক ফর্সা করার ডাক্তারি উপায় জানি। এই উপায় গুলোর ভিতরে সব কয়টি খুবই কষ্টদায়ক চিকিৎসা। আমাদের মতে আপনি এই ভাবে ত্বক ফর্সা করা থেকে বিরত থাকুন। কারন, আপনি উপরের যে কয়টি পদ্ধতি দেখতে পাচ্ছেন। সব কয়টা পদ্ধতিতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত সমস্যা দেখা যাবে।

ফর্সা হওয়ার প্রাকৃতিক উপায়

আমাদের মতে, ফর্সা ত্বক অর্জনের জন্য প্রাকৃতিক পদ্ধতি বেছে নেওয়া উত্তম। ডাক্তারি চিকিৎসা পরবর্তীতে, প্রাকৃতিক পদ্ধতি চিকিৎসা গুলি নিরাপদ এবং দীর্ঘমেয়াদী ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এই পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করে, আপনি আপনার ত্বক উন্নত করতে পারবেন, এমনকি আপনার গায়ের রংকে ও উন্নত করতে পারবেন।

আপনার ত্বক ফর্সা করার জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য আপনার ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনার প্রতিদিনের খাবারে ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে যা আপনার ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়। এছাড়া, আপনাকে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পানি ত্বকের হাইড্রেটেড থাকা টক্সিনগুলিকে ফ্লাশ করতে সাহায্য করে এবং আপনার ত্বককে ভালভাবে হাইড্রেটেড রাখে, যার ফলে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যন্ত নেওয়া যাই।

আপনারা যদি, নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ এ নিযুক্ত থাকেন, তাহলে কেবল আপনার শরীরের উপকার করে না বরং স্বাস্থ্যকর এবং ফর্সা ত্বকে অবদান রাখে। ব্যায়াম রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়, যা আপনার ত্বকের কোষগুলিতে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে সয়হতা করে। এছাড়া, এটি ঘামের মাধ্যমে বিষাক্ত পদার্থগুলিকে বের করে দিতে সয়হতা করে, আপনার ত্বককে ফর্সা করে।

আপনারা যদি, পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম পড়েন। তাহলে, আপনার ত্বকের স্বাস্থ্য এবং উজ্জ্বলতার জন্য ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময়, আপনার ত্বকেরর যত্ন এবং পুনরুজ্জীবনের মধ্য দিয়ে যায়, এটি প্রতিদিনের চাপ থেকে পুনরুদ্ধার করতে দেয়। খারাপ ঘুমের গুণমান নিস্তেজ, ক্লান্ত চেহারার ত্বক কালো হতে পারে। অতিরিক্তভাবে, ধ্যান, যোগব্যায়াম বা শখের মতো শিথিলকরণ কৌশলগুলির মাধ্যমে চাপের মাত্রা পরিচালনা করা স্ট্রেস-সম্পর্কিত ত্বকের সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করতে এবং আরও ফর্সা বর্ণকে উন্নীত করতে সাহায্য করতে পারে।

প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে একটি স্কিনকেয়ার রুটিন বানাতে পারেন। এতে করে, আপনার ত্বক ফর্সা হওয়ার জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। ক্লিনজার, টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার যুক্ত করুন যাতে প্রাকৃতিক নির্যাস। যেমনঃ অ্যালোভেরা, গ্রিন টি বা রোজশিপ অয়েল ইত্যাদি উপাদান দিয়ে একটি স্কিনকেয়ার বানাতে পারেন। এই উপাদানগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রশান্তিদায়ক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকে পুষ্টি প্রদান করে। আর! এটি ব্যবহার করার ফলে, আপনার স্কিন টোন পরিবর্তন করে থাকে।

অনেক সময়ে অত্যধিক সূর্যের তাপে কালো দাগ হতে পারে। ক্ষতিকারক UV রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা জন্য সানক্রিম ব্যবহার করা উচিত। আপনাকে ঘরের বাইরে বেরোনোর ​​আগে উচ্চ এসপিএফ রেটিং সহ সানস্ক্রিন লাগান, প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরুন এবং আপনার ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সর্বোচ্চ সূর্যেরর তাপ থেকে ছায়ায় থাকুন।

আপনারা যদি, প্রকৃতিক উপায়ে ত্বক ফর্সা করতে চান। তাহলে, অবশ্যই উপরের কয়েকটা নিয়ম মেনে চলকে পারেন। আমরা সব সময় যে কোন কিছু ট্রাই করার আগে। আপনাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি বলে মনে করি।

এম.নাসির/২