ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

শতভাগ বোনাসসহ আট দাবি বেসরকারি শিক্ষকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

শতভাগ বোনাসসহ আট দাবি বেসরকারি শিক্ষকদের

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

The Teacher: আসন্ন ঈদের আগেই শতভাগ উৎসব ভাতাসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষকরা।

আজ শনিবার (১৬ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু বলেন, আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের পূর্বেই শতভাগ উৎসব ভাতা দিতে হবে। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণসহ আমাদের দাবি পূরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হলে শিক্ষকদের আর্থিক সমস্যা সমাধান ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে হবে।

তাদের আট দাবি হলো-

১. ঈদের আগেই পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা সরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের সমপরিমাণ করা।

২. অবিলম্বে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা তথা আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণের প্রত্যয়ে একটি জীবন ও জীবিকা কেন্দ্রিক কারিগরি এবং বিজ্ঞানমনস্ক সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা।

৩. শূন্য পদের বিপরীতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা কার্যকর করা।

৪. অতিদ্রুত বিভিন্ন বোর্ড কর্তৃক যথাযথ নিয়মে এফিলিয়েশনপ্রাপ্ত সকল স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তির আওতায় আনা।

৫. সরকারের সদিচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মাউশিসহ বিভিন্ন অধিদপ্তর, শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধীদের অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।

৬. শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ডিভাইস, খাতা কলমসহ অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী প্রদান ও মাধ্যমিক পর্যায়ে (স্কুল, মাদ্রাসা, কারিগরি) শিক্ষার্থীদের সরকারি উদ্যোগে দুপুরের টিফিনের ব্যবস্থা করা।

৭. অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের দুর্দশা লাঘবে শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর বোর্ডের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করা।

৮. ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে শিক্ষাবান্ধব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত এবং স্কুল পর্যায়ে ন্যূনতম ডিগ্রি পাস ও কলেজ পর্যায়ে ন্যূনতম মাস্টার্স পাস স্বচ্ছ ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিদের মনোনয়ন করা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মো. সাজিদুল ইসলাম, মেহেরুন্নেছা, অধ্যক্ষ মোনতাজ উদ্দিন মর্তুজা, তেলোয়াত হোসেন খান, অধ্যক্ষ একেএম মোকসেদুর রহমান ও অধ্যক্ষ সলিম উল্লাহ সেলিম।

আরকে/১৬

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শতভাগ বোনাসসহ আট দাবি বেসরকারি শিক্ষকদের

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

The Teacher: আসন্ন ঈদের আগেই শতভাগ উৎসব ভাতাসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষকরা।

আজ শনিবার (১৬ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু বলেন, আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের পূর্বেই শতভাগ উৎসব ভাতা দিতে হবে। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণসহ আমাদের দাবি পূরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হলে শিক্ষকদের আর্থিক সমস্যা সমাধান ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে হবে।

তাদের আট দাবি হলো-

১. ঈদের আগেই পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা সরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের সমপরিমাণ করা।

২. অবিলম্বে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা তথা আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণের প্রত্যয়ে একটি জীবন ও জীবিকা কেন্দ্রিক কারিগরি এবং বিজ্ঞানমনস্ক সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা।

৩. শূন্য পদের বিপরীতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা কার্যকর করা।

৪. অতিদ্রুত বিভিন্ন বোর্ড কর্তৃক যথাযথ নিয়মে এফিলিয়েশনপ্রাপ্ত সকল স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তির আওতায় আনা।

৫. সরকারের সদিচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মাউশিসহ বিভিন্ন অধিদপ্তর, শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধীদের অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।

৬. শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ডিভাইস, খাতা কলমসহ অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী প্রদান ও মাধ্যমিক পর্যায়ে (স্কুল, মাদ্রাসা, কারিগরি) শিক্ষার্থীদের সরকারি উদ্যোগে দুপুরের টিফিনের ব্যবস্থা করা।

৭. অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের দুর্দশা লাঘবে শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর বোর্ডের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করা।

৮. ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে শিক্ষাবান্ধব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত এবং স্কুল পর্যায়ে ন্যূনতম ডিগ্রি পাস ও কলেজ পর্যায়ে ন্যূনতম মাস্টার্স পাস স্বচ্ছ ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিদের মনোনয়ন করা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মো. সাজিদুল ইসলাম, মেহেরুন্নেছা, অধ্যক্ষ মোনতাজ উদ্দিন মর্তুজা, তেলোয়াত হোসেন খান, অধ্যক্ষ একেএম মোকসেদুর রহমান ও অধ্যক্ষ সলিম উল্লাহ সেলিম।

আরকে/১৬