ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

টিআইবির প্রতিবেদন

বাস ও মিনিবাসে বছরে ১,০৫৯ কোটি টাকার চাঁদাবাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
TIB report :

টিআইবির প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশে বেসরকারি বাস ও মিনিবাসে বছরে ১০.৫৯ বিলিয়ন (১,০৫৯ কোটি) টাকার চাঁদাবাজি হয়। এই চাঁদাবাজির একটি অংশ দলভুক্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী, ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালিক-শ্রমিকদের সংগঠন এবং পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা পান। যা টিআইবির প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়।

আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ধানমন্ডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি ‘বেসরকারি বাস পরিবহনের ব্যবসায় সততা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বেসরকারি বাস ও মিনিবাসে বছরে ১০.৫৯ বিলিয়ন (১,০৫৯ কোটি) টাকার চাঁদাবাজির এই অনুমান, আসলে একটি রক্ষণশীল পরিসংখ্যান। বাস্তবে অনেক গুণ বেশি। এই চাঁদাবাজির ছেদ পড়ে বিভিন্ন মহলে। যেহেতু খাতটি রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণে, তাই চাঁদাবাজির টাকাও তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে।”

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘এ খাত ব্যাপক দুর্নীতিতে জর্জরিত। বিশেষ করে রাজনৈতিক দাপটের কারণে এই খাত জিম্মি হয়ে আছে। ফলে যাত্রীরাও প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না বলেও জানান তিনি।

এ সংস্থাটির গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় বাস কোম্পানিগুলোর প্রায় ৯২ শতাংশের ব্যবস্থাপনায় রাজনীতিবিদরা জড়িত। আর তাদের ৮০ শতাংশই ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে যুক্ত। যার কারণে এখানে যত ধরনের ঘটনা ঘটে কোনো সমাধান হয় না।

টিআইবির আরেক সমীক্ষায় জানা গেছে যে, ৬০.৫ শতাংশ যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অভিযোগ করেন, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননা।

এম.নাসির/৫

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

টিআইবির প্রতিবেদন

বাস ও মিনিবাসে বছরে ১,০৫৯ কোটি টাকার চাঁদাবাজি

আপডেট সময় : ০৫:০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪
TIB report :

টিআইবির প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশে বেসরকারি বাস ও মিনিবাসে বছরে ১০.৫৯ বিলিয়ন (১,০৫৯ কোটি) টাকার চাঁদাবাজি হয়। এই চাঁদাবাজির একটি অংশ দলভুক্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী, ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালিক-শ্রমিকদের সংগঠন এবং পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা পান। যা টিআইবির প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়।

আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ধানমন্ডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি ‘বেসরকারি বাস পরিবহনের ব্যবসায় সততা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বেসরকারি বাস ও মিনিবাসে বছরে ১০.৫৯ বিলিয়ন (১,০৫৯ কোটি) টাকার চাঁদাবাজির এই অনুমান, আসলে একটি রক্ষণশীল পরিসংখ্যান। বাস্তবে অনেক গুণ বেশি। এই চাঁদাবাজির ছেদ পড়ে বিভিন্ন মহলে। যেহেতু খাতটি রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণে, তাই চাঁদাবাজির টাকাও তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে।”

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘এ খাত ব্যাপক দুর্নীতিতে জর্জরিত। বিশেষ করে রাজনৈতিক দাপটের কারণে এই খাত জিম্মি হয়ে আছে। ফলে যাত্রীরাও প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না বলেও জানান তিনি।

এ সংস্থাটির গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় বাস কোম্পানিগুলোর প্রায় ৯২ শতাংশের ব্যবস্থাপনায় রাজনীতিবিদরা জড়িত। আর তাদের ৮০ শতাংশই ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে যুক্ত। যার কারণে এখানে যত ধরনের ঘটনা ঘটে কোনো সমাধান হয় না।

টিআইবির আরেক সমীক্ষায় জানা গেছে যে, ৬০.৫ শতাংশ যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অভিযোগ করেন, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননা।

এম.নাসির/৫