ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাবে না ফৌজদারি মামলার আসামীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশে চাকরি কিংবা উচ্চ শিক্ষার জন্য যেতে হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের খুবই প্রয়োজন। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট থাকলে তাকে মনে করা হয় তিনি কোনো অপরাধের সাথে জড়িত নন। যদি কোনো ব্যক্তির নামে ফৌজদারী মামলা থাকে তবে সে পুলিশ ক্লিলিয়ারেন্স পাবে না।

দেখা যায়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করে অনেকে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পান না। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ- ফৌজদারি মামলা। তাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন সম্যক ধারণা থাকা দরকার।

ধারণাগুলো নিম্নে দেওয়া হলো-

১. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা থাকলে।

২. অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে Personal Information-এ কোনো ধরনের ভুল থাকলে।

৩. আবেদনের ক্ষেত্রে ঠিকানায় কোন ধরনের ভুল থাকলে।

৪. ডকুমেন্ট অবশ্যই JPG/PNG/GIF/PDF ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে। ফাইল সাইজ হবে সর্বোচ্চ 200KB। ডকুমেন্টস যথাসম্ভব A4 সাইজে রাখতে হবে। ছবির সাইজ হবে 150KB ও 300/300 পিক্সেল। এক্ষেত্রে ব্যত্যয় চলবে না।

৫. পাসপোর্টের তথ্য সম্বলিত প্রথম পাতা ১ম শ্রেণির একজন গেজেটেড কর্মকর্তার দ্বারা সত্যায়িত করে আপলোড করতে হবে। তা না হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

৬. সত্যায়িত পাসপোর্ট কপি আপলোড করার পাশাপাশি পাসপোর্ট নম্বর, ইস্যুর তারিখ ও ঠিকানা সঠিকভাবে ইনপুট না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হবে।

৭. দেশের বাইরে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের মাধ্যমে পাসপোর্টের তথ্য পাতার কপি সত্যায়িত করে আপলোড করতে হবে। না হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য করা আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

আপনার পাসপোর্টে ঠিকানা দেয়া ‘ক’ এলাকার কিন্তু বর্তমানে ‘খ’ এলাকায় বসবাস করছেন। সেক্ষেত্রে ‘খ’ এলাকা থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হলে ‘খ’ এলাকার কাউন্সিলর/মেয়র/চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। অন্যথায় আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

৮. অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমে চালান জমা দেওয়া যায়। অনলাইনে চালান জমা দেওয়ার পর চালানের ফর্ম ডাউনলোড করে আবেদনের সময় আপলোড করতে হবে। তা না করলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হবে।

৯. চালানের বিস্তারিত তথ্য সঠিকভাবে না দেওয়ার কারণে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিল হয়। যেমন- চালান নম্বর ও চালানের তারিখ ইত্যাদি সঠিকভাবে ইনপুট দিতে হবে। সর্বোচ্চ 300 KB সাইজের মধ্যে চালানের ফর্ম PNG/JPEG/GIF/PDF ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে।

১০. আবেদনে যে ঠিকানা উল্লেখ করেছেন সেখানে আপনাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিল হয়ে যাবে।

উল্লেখিত কারণে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হতে পারে। সেজন্য সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে আবেদন করলে আবেদনটি বাতিল হবে না। তথ্য ইনপুট দেওয়ার আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদনের ওয়েব পেইজটি কয়েকবার পড়ে ভালোভাবে বুঝে নিতে হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হলে করণীয়-

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন কোনো কারণে বাতিল হলে আবেদন এডিট বা সংশোধন করে পুনরায় সাবমিট করার সুযোগ নেই। নতুন করে করতে হবে আবেদন। তবে পুনরায় আবেদন করার জন্য অবশ্যই পূর্বের ভুলগুলো ভালো করে বুঝে নিতে হবে।

এম.নাসির/২

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাবে না ফৌজদারি মামলার আসামীরা

আপডেট সময় : ০১:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশে চাকরি কিংবা উচ্চ শিক্ষার জন্য যেতে হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের খুবই প্রয়োজন। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট থাকলে তাকে মনে করা হয় তিনি কোনো অপরাধের সাথে জড়িত নন। যদি কোনো ব্যক্তির নামে ফৌজদারী মামলা থাকে তবে সে পুলিশ ক্লিলিয়ারেন্স পাবে না।

দেখা যায়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করে অনেকে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পান না। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ- ফৌজদারি মামলা। তাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন সম্যক ধারণা থাকা দরকার।

ধারণাগুলো নিম্নে দেওয়া হলো-

১. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা থাকলে।

২. অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে Personal Information-এ কোনো ধরনের ভুল থাকলে।

৩. আবেদনের ক্ষেত্রে ঠিকানায় কোন ধরনের ভুল থাকলে।

৪. ডকুমেন্ট অবশ্যই JPG/PNG/GIF/PDF ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে। ফাইল সাইজ হবে সর্বোচ্চ 200KB। ডকুমেন্টস যথাসম্ভব A4 সাইজে রাখতে হবে। ছবির সাইজ হবে 150KB ও 300/300 পিক্সেল। এক্ষেত্রে ব্যত্যয় চলবে না।

৫. পাসপোর্টের তথ্য সম্বলিত প্রথম পাতা ১ম শ্রেণির একজন গেজেটেড কর্মকর্তার দ্বারা সত্যায়িত করে আপলোড করতে হবে। তা না হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

৬. সত্যায়িত পাসপোর্ট কপি আপলোড করার পাশাপাশি পাসপোর্ট নম্বর, ইস্যুর তারিখ ও ঠিকানা সঠিকভাবে ইনপুট না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হবে।

৭. দেশের বাইরে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের মাধ্যমে পাসপোর্টের তথ্য পাতার কপি সত্যায়িত করে আপলোড করতে হবে। না হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য করা আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

আপনার পাসপোর্টে ঠিকানা দেয়া ‘ক’ এলাকার কিন্তু বর্তমানে ‘খ’ এলাকায় বসবাস করছেন। সেক্ষেত্রে ‘খ’ এলাকা থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হলে ‘খ’ এলাকার কাউন্সিলর/মেয়র/চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। অন্যথায় আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

৮. অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমে চালান জমা দেওয়া যায়। অনলাইনে চালান জমা দেওয়ার পর চালানের ফর্ম ডাউনলোড করে আবেদনের সময় আপলোড করতে হবে। তা না করলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হবে।

৯. চালানের বিস্তারিত তথ্য সঠিকভাবে না দেওয়ার কারণে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিল হয়। যেমন- চালান নম্বর ও চালানের তারিখ ইত্যাদি সঠিকভাবে ইনপুট দিতে হবে। সর্বোচ্চ 300 KB সাইজের মধ্যে চালানের ফর্ম PNG/JPEG/GIF/PDF ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে।

১০. আবেদনে যে ঠিকানা উল্লেখ করেছেন সেখানে আপনাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিল হয়ে যাবে।

উল্লেখিত কারণে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হতে পারে। সেজন্য সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে আবেদন করলে আবেদনটি বাতিল হবে না। তথ্য ইনপুট দেওয়ার আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদনের ওয়েব পেইজটি কয়েকবার পড়ে ভালোভাবে বুঝে নিতে হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন বাতিল হলে করণীয়-

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন কোনো কারণে বাতিল হলে আবেদন এডিট বা সংশোধন করে পুনরায় সাবমিট করার সুযোগ নেই। নতুন করে করতে হবে আবেদন। তবে পুনরায় আবেদন করার জন্য অবশ্যই পূর্বের ভুলগুলো ভালো করে বুঝে নিতে হবে।

এম.নাসির/২