ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

নির্বাচনের সময় ইন্টারনেটের গতি কমালে বিতর্কিত হবে : সিইসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোটের সময় ইন্টারনেটের গতি কমালে নির্বাচন বিতর্কিত হবে বলে জানিয়েছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এটা সরকারকে অনুধাবন করা করতে হবে।

সোমবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর নির্বাচন ভবনের সভা কক্ষে সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি-আরএফইডির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আরএফইডির নেতারা ভোটে সাংবাদিকদের অবাধ সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরেন।

সিইসি বলেন, নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাদরে গ্রহণ করতে হবে। সংসদ নির্বাচনের দিন কড়াকড়ির বিষয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের যদি অবাধ তথ্য সংগ্রহের সুযোগ থাকে, দুষ্টু নয়, বস্তুনিষ্ঠ, তাহলে স্বচ্ছতা অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত হবে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, যতই সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হবে ততই তাদের মনে হবে-‘ডাল ম্যা কুচ কালা হ্যায়’। এ ধরনের একটা ভাব সৃষ্টি হতে পারে। আমরা গণমাধ্যমের বিপক্ষে নয়। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যদি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়, আমরা বিষয়টি দেখবো।

ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ধীর গতি করা যদি অপকৌশল হিসেবে করা হয়, তাহলে নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে বিতর্কিত করবে। এটা সরকারের অনুধাবন করা উচিত। সরকার যদি স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে, নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিশ্বাস করে, তাহলে নির্বাচনের দিন এ জিনিসগুলো না করলেই বোধহয় ভালো হবে। কেন না এতে সন্দেহের উপদ্রব হবে। অনেকেই ভাববেন অপকর্মের জন্যই এটা করা হয়েছে।

অন্য এক প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, প্রিজাইডিং অফিসারের কর্তৃত্ব খর্ব করা ঠিক হবে না। তিনি ভোটের দিন দায়িত্ব নিয়ে সঠিক কাজ করবেন। কোনো অপকর্ম করলে আইনে বিধান আছে। এতে কোনো ঘাটতি থাকবে না।

সাংবাদিকদের পুলিশি বাধার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, পুলিশ যদি আপনাদের নির্বাচনি কেন্দ্রে ঢুকতে না দেয় আমাদের সিরিয়াসলি নিতে হবে। আপনাদের নির্বাচন কমিশন থেকে অথরাইজড করা হয়, সেই অথরিটির পরও যদি আপনাদের পুলিশ ঢুকতে দেয়, তাহলে আপনারা ছবি তুলে দেখাবেন এবং বিষয়টি অবহিত করবেন। পরে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমের মাধ্যমে যদি স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে আমাদের বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকার সুযোগটা বেড়ে যাবে। গণমাধ্যমের বিপক্ষে কখনোই আমাদের অবস্থান নয়। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে গণতন্ত্রের স্বার্থে যদি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় সে বিষয়টা আমরা দেখবো।

সভায় অন্যদের মধ্যে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ আরএফইডির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এম.নাসির/১৩

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নির্বাচনের সময় ইন্টারনেটের গতি কমালে বিতর্কিত হবে : সিইসি

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

ভোটের সময় ইন্টারনেটের গতি কমালে নির্বাচন বিতর্কিত হবে বলে জানিয়েছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এটা সরকারকে অনুধাবন করা করতে হবে।

সোমবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর নির্বাচন ভবনের সভা কক্ষে সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি-আরএফইডির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আরএফইডির নেতারা ভোটে সাংবাদিকদের অবাধ সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরেন।

সিইসি বলেন, নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাদরে গ্রহণ করতে হবে। সংসদ নির্বাচনের দিন কড়াকড়ির বিষয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের যদি অবাধ তথ্য সংগ্রহের সুযোগ থাকে, দুষ্টু নয়, বস্তুনিষ্ঠ, তাহলে স্বচ্ছতা অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত হবে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, যতই সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হবে ততই তাদের মনে হবে-‘ডাল ম্যা কুচ কালা হ্যায়’। এ ধরনের একটা ভাব সৃষ্টি হতে পারে। আমরা গণমাধ্যমের বিপক্ষে নয়। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যদি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়, আমরা বিষয়টি দেখবো।

ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ধীর গতি করা যদি অপকৌশল হিসেবে করা হয়, তাহলে নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে বিতর্কিত করবে। এটা সরকারের অনুধাবন করা উচিত। সরকার যদি স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে, নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিশ্বাস করে, তাহলে নির্বাচনের দিন এ জিনিসগুলো না করলেই বোধহয় ভালো হবে। কেন না এতে সন্দেহের উপদ্রব হবে। অনেকেই ভাববেন অপকর্মের জন্যই এটা করা হয়েছে।

অন্য এক প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, প্রিজাইডিং অফিসারের কর্তৃত্ব খর্ব করা ঠিক হবে না। তিনি ভোটের দিন দায়িত্ব নিয়ে সঠিক কাজ করবেন। কোনো অপকর্ম করলে আইনে বিধান আছে। এতে কোনো ঘাটতি থাকবে না।

সাংবাদিকদের পুলিশি বাধার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, পুলিশ যদি আপনাদের নির্বাচনি কেন্দ্রে ঢুকতে না দেয় আমাদের সিরিয়াসলি নিতে হবে। আপনাদের নির্বাচন কমিশন থেকে অথরাইজড করা হয়, সেই অথরিটির পরও যদি আপনাদের পুলিশ ঢুকতে দেয়, তাহলে আপনারা ছবি তুলে দেখাবেন এবং বিষয়টি অবহিত করবেন। পরে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমের মাধ্যমে যদি স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে আমাদের বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকার সুযোগটা বেড়ে যাবে। গণমাধ্যমের বিপক্ষে কখনোই আমাদের অবস্থান নয়। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে গণতন্ত্রের স্বার্থে যদি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় সে বিষয়টা আমরা দেখবো।

সভায় অন্যদের মধ্যে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ আরএফইডির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এম.নাসির/১৩