ঢাকা ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

জনশূণ্য হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় জাপান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্তান জন্মহারে নতুন সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়েছে জাপান। দিন দিন কমছে জনসংখ্যা। আর তাতে এক সময় দেশটি জনশূণ্য হয়ে পড়বে এমন আশঙ্কা করছেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার এক উপদেষ্টা মাসাকো মোরি।

ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়, জনসংখ্যা দ্রুত কমতে থাকায় জাপানের সামাজিক নিরাপত্তা বলয় ও অর্থনীতি উভয়ই মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে। এই পরিস্থিতি আটকানো না গেলে একসময় পুরোপুরি ‘নিশ্চিহ্ন’ হয়ে যাবে দেশটি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জাপান সরকার জানিয়েছে, ২০২২ সালে সন্তান জন্মহারে সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়েছে দেশটি। মাসাকো মোরি বলেন, আমরা যদি এভাবে চলতে থাকি, তাহলে দেশ একসময় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

গত বছর জাপানে যত শিশু জন্মগ্রহণ করেছে মারা গেছে তার প্রায় দ্বিগুণ। ২০২২ সালে দেশটিতে শিশু জন্ম নিয়েছে আট লাখের কম, আর মারা গেছে ১৫ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য বরাদ্দ দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে জাপান সরকার।

২০০৮ সালে দেশটিতে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ১২ কোটি ৮০ লাখে হয়েছিল। কিন্তু এখন তা ১২ কোটি ৪৬ লাখে নেমে এসেছে এবং জনসংখ্যা কমার হার দ্রুত বাড়ছে।

ফুমিও কিশিদার জন্মহার সমস্যা ও এলজিবিটিকিউ বিষয়ক উপদেষ্টা মোরির ভাষ্যমতে, জন্মহার ধীরে ধীরে কমছে না, এটি সোজা নিচের দিকে যাচ্ছে। এর মানে, এখন জন্ম নেওয়া শিশুরা এমন একটি সমাজে নিক্ষিপ্ত হবে, যা বিকৃত ও সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে।

মোরি জানান, সন্তান জন্ম দানের ক্ষমতা সম্পন্ন নারীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জন্মহার পতনের ধারা উল্টানো এখন অত্যন্ত কঠিন হবে। সরকারকে জন্মহার পতনের হার ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে অবশ্যই যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।

রইস/৭

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনশূণ্য হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় জাপান

আপডেট সময় : ০৯:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্তান জন্মহারে নতুন সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়েছে জাপান। দিন দিন কমছে জনসংখ্যা। আর তাতে এক সময় দেশটি জনশূণ্য হয়ে পড়বে এমন আশঙ্কা করছেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার এক উপদেষ্টা মাসাকো মোরি।

ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়, জনসংখ্যা দ্রুত কমতে থাকায় জাপানের সামাজিক নিরাপত্তা বলয় ও অর্থনীতি উভয়ই মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে। এই পরিস্থিতি আটকানো না গেলে একসময় পুরোপুরি ‘নিশ্চিহ্ন’ হয়ে যাবে দেশটি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জাপান সরকার জানিয়েছে, ২০২২ সালে সন্তান জন্মহারে সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়েছে দেশটি। মাসাকো মোরি বলেন, আমরা যদি এভাবে চলতে থাকি, তাহলে দেশ একসময় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

গত বছর জাপানে যত শিশু জন্মগ্রহণ করেছে মারা গেছে তার প্রায় দ্বিগুণ। ২০২২ সালে দেশটিতে শিশু জন্ম নিয়েছে আট লাখের কম, আর মারা গেছে ১৫ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য বরাদ্দ দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে জাপান সরকার।

২০০৮ সালে দেশটিতে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ১২ কোটি ৮০ লাখে হয়েছিল। কিন্তু এখন তা ১২ কোটি ৪৬ লাখে নেমে এসেছে এবং জনসংখ্যা কমার হার দ্রুত বাড়ছে।

ফুমিও কিশিদার জন্মহার সমস্যা ও এলজিবিটিকিউ বিষয়ক উপদেষ্টা মোরির ভাষ্যমতে, জন্মহার ধীরে ধীরে কমছে না, এটি সোজা নিচের দিকে যাচ্ছে। এর মানে, এখন জন্ম নেওয়া শিশুরা এমন একটি সমাজে নিক্ষিপ্ত হবে, যা বিকৃত ও সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে।

মোরি জানান, সন্তান জন্ম দানের ক্ষমতা সম্পন্ন নারীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জন্মহার পতনের ধারা উল্টানো এখন অত্যন্ত কঠিন হবে। সরকারকে জন্মহার পতনের হার ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে অবশ্যই যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।

রইস/৭