ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

কেশবপুর সহকারী জজ আদালতে চুরি

যশোর প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪ ১৩০ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোরের কেশবপুর সহকারী জজ আদালতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৯ মার্চ) দিনগত রাতে বিচারক নাজনীন সুলতানার কম্পিউটারের সিপিইউসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে গেছে।

আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, বৃহস্পতিবার কাজ শেষে সহকারী জজ আদালতের কক্ষ তালাবন্ধ করে চলে যান পেশকার মনিরুজ্জামানসহ অন্যরা। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে পেশকার রোববার ও সোমবার ছুটি নেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত পেশকার হিসেবে দায়িত্ব পান শরিফুল আলম। সকালে তিনি আদালতে এসে দরজা খোলা দেখতে পান। এ সময় আদালত কক্ষে কেউ ছিলেন না। পিয়নকে ডেকে আনলে জানায় সে তালা খোলেননি। এরপর বিষয়টি বিচারক নাজনিন সুলতানাকে জানানো হয়। পরে তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানান।

পেশকার শরিফুল আলম জানান, সকালে গিয়ে আদালতের দরজা খোলা দেখতে পাই। দরজার তালা লাগানো থাকলেও হ্যাসবোল্টের নাট-বল্টু খোলা ছিল। এ এজলাসে নতুন ফলে কি কি খোয়া গেছে সেটি বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জেলা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও নাজির মো. বাবর আলী জানান, বিচারকের কম্পিউটারের একটি সিপিইউ চুরি হয়েছে। এছাড়া কোনো কাগজপত্র চুরি হয়েছে কি না সেটা বলা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা মামলা করবো। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

যশোর কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খবর শুনে পুলিশের একটি টিম আদালতে যান। সেখানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছে। যা যা চুরি হয়েছে সেগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/শিল্পী/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কেশবপুর সহকারী জজ আদালতে চুরি

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪

যশোরের কেশবপুর সহকারী জজ আদালতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৯ মার্চ) দিনগত রাতে বিচারক নাজনীন সুলতানার কম্পিউটারের সিপিইউসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে গেছে।

আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, বৃহস্পতিবার কাজ শেষে সহকারী জজ আদালতের কক্ষ তালাবন্ধ করে চলে যান পেশকার মনিরুজ্জামানসহ অন্যরা। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে পেশকার রোববার ও সোমবার ছুটি নেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত পেশকার হিসেবে দায়িত্ব পান শরিফুল আলম। সকালে তিনি আদালতে এসে দরজা খোলা দেখতে পান। এ সময় আদালত কক্ষে কেউ ছিলেন না। পিয়নকে ডেকে আনলে জানায় সে তালা খোলেননি। এরপর বিষয়টি বিচারক নাজনিন সুলতানাকে জানানো হয়। পরে তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানান।

পেশকার শরিফুল আলম জানান, সকালে গিয়ে আদালতের দরজা খোলা দেখতে পাই। দরজার তালা লাগানো থাকলেও হ্যাসবোল্টের নাট-বল্টু খোলা ছিল। এ এজলাসে নতুন ফলে কি কি খোয়া গেছে সেটি বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জেলা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও নাজির মো. বাবর আলী জানান, বিচারকের কম্পিউটারের একটি সিপিইউ চুরি হয়েছে। এছাড়া কোনো কাগজপত্র চুরি হয়েছে কি না সেটা বলা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা মামলা করবো। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

যশোর কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খবর শুনে পুলিশের একটি টিম আদালতে যান। সেখানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছে। যা যা চুরি হয়েছে সেগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/শিল্পী/