ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমেছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩ ১৬৮৬ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি। আগে কেনা সঞ্চয়পত্র মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যেহারে ভাঙানো হচ্ছে, সেই হারে নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে না। এতে ছয় মাসে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমে গেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির চাপ, আর্থিক সংকট, সুদহার কমানো ও বিনিয়োগে নানা শর্তের কারণে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমেছে।

ব্যাংকের তুলনায় সুদ বেশি হওয়ায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে গ্রাহকদের আগ্রহ বেশি ছিল। সম্প্রতি সুদের হার কমিয়ে দেয়ায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন গ্রাহকরা। নিত্যপণ্যের চড়া দামের চাপে নতুন করে সঞ্চয়পত্র কেনা সম্ভব হয়ে উঠছে না অনেকের।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বরে ৫ হাজার ৫৪২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। একই সময়ে মুনাফা ও আসল পরিশোধ করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ৪০ হাজার ৪৭১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। আর মুনাফা ও মূল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৪৩ হাজার ৫৭৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। বিনিয়োগের চেয়ে ৩ হাজার ১০৭ কোটি টাকা বেশি পরিশোধ করেছে সরকার।

কয়েক দফায় সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানো হলেও এখনো তা ব্যাংকের তুলনায় বেশি বলে জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমে যাওয়াকে নেতিবাচক ভাবে দেখছেন না অর্থনীতিবিদরা। সুদের হার কমানো, সরকারের ভালো উদ্যোগ বলে মনে করেন তারা।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ধরেছে সরকার। কিন্তু বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয়মাসে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে সরকার ঋণ নিতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমেছে

আপডেট সময় : ১০:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি। আগে কেনা সঞ্চয়পত্র মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যেহারে ভাঙানো হচ্ছে, সেই হারে নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে না। এতে ছয় মাসে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমে গেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির চাপ, আর্থিক সংকট, সুদহার কমানো ও বিনিয়োগে নানা শর্তের কারণে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমেছে।

ব্যাংকের তুলনায় সুদ বেশি হওয়ায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে গ্রাহকদের আগ্রহ বেশি ছিল। সম্প্রতি সুদের হার কমিয়ে দেয়ায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন গ্রাহকরা। নিত্যপণ্যের চড়া দামের চাপে নতুন করে সঞ্চয়পত্র কেনা সম্ভব হয়ে উঠছে না অনেকের।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বরে ৫ হাজার ৫৪২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। একই সময়ে মুনাফা ও আসল পরিশোধ করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ৪০ হাজার ৪৭১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। আর মুনাফা ও মূল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৪৩ হাজার ৫৭৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। বিনিয়োগের চেয়ে ৩ হাজার ১০৭ কোটি টাকা বেশি পরিশোধ করেছে সরকার।

কয়েক দফায় সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানো হলেও এখনো তা ব্যাংকের তুলনায় বেশি বলে জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমে যাওয়াকে নেতিবাচক ভাবে দেখছেন না অর্থনীতিবিদরা। সুদের হার কমানো, সরকারের ভালো উদ্যোগ বলে মনে করেন তারা।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ধরেছে সরকার। কিন্তু বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয়মাসে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে সরকার ঋণ নিতে পারেনি।