ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

রমজানে কমতে পারে পেঁয়াজ, রসুন, আদার দাম!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩ ১৪০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন রমজান উপলক্ষে বাড়বে না পেঁয়াজের দাম। রসুন ও আদার দামও বাড়ার কোনো আভাস নেই। উল্টো মিলছে দাম কমার আভাস। ক্রেতাদের দাবি, দেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে ঈদ ও রমজানের আগে বাজারের দৃশ্যপট পাল্টে যায়। যার প্রভাবে ক্রেতাদের মধ্যে নাভিশ্বাস ওঠে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের দাবি, স্বাভাবিক বাজারে হঠাৎ কোনো পণ্যের সরবরাহ কমতি দেখা দিলে দাম বাড়তে থাকে। এজন্য ক্রেতা নিজেই দায়ী। কারণ, তারা রমজান ও ঈদ উপলক্ষে একসঙ্গে বেশি বেশি পণ্য কিনে মজুত করে রাখেন।

শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজান ও ঈদ এলে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের বাড়তি কদর তৈরি হয়। কারণ, মাংস থেকে শুরু করে সবকিছুতে এ তিন মসলার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতি বছর রমজানের আগে এ তিন পণ্যের দাম বাড়ে। কিন্তু এবার পর্যাপ্ত মজুত থাকায় স্বস্তিতে থাকবেন ক্রেতারা। বর্তমানে দেশীয় পেঁয়াজের পাশাপাশি ভারতীয় পেঁয়াজেরও সরবরাহ বেশ। এছাড়া এবার পেঁয়াজ, রসুনের ভরা মৌসুম চলছে। ফলে এ দুই পণ্যের দাম কমই থাকছে। অন্যদিকে, চাহিদা অনুযায়ী মিয়ানমার থেকেও পর্যাপ্ত আদা পাওয়া যাচ্ছে। ফলে এবার কোনো ভাবেই এ তিন পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

মিরপুর- ৬ নম্বর বাজারের ভাসমান আদা, রসুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ফোরকান উদ্দিন বলেন, বর্তমানে ভারতের পেঁয়াজের পাশাপাশি দেশীয় পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলছে। এজন্য আকৃতি ভেদে দেশি পেঁয়াজ বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। যেমন- বড় সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় আর ছোট সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। এছাড়া, ভারতীয় কালো জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।

তিনি বলেন, আদা ও রসুনের দামও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। চাইনিজ আদা আমদানির খরচ অনেক বেড়েছে। এজন্য এ আদা বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে। দাম বেশি হলেও এ আদা বাজারে নেই বললেই চলে। অন্যদিকে, মিয়ানমারের আদা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ চাইনিজ আদার তুলনায় দাম অর্ধেক। এছাড়া, দেশীয় পুরাতন রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। নতুন রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে, চাইনিজ রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজ-রসুন মালিক সমিতির প্রচার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত আছে পেঁয়াজ। রমজান উপলক্ষে পেঁয়াজ ৩০ টাকার মধ্যেই থাকবে। কারণ, বাজারে দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজে ভরপুর। অন্যদিকে, দেশি রসুনের দাম পাইকারি বাজারে বর্তমানে ৭০ টাকা হলেও রমজান মাসে দাম কমে ৫০ টাকায় নামতে পারে। কারণ, ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলার রসুন বাজারে উঠেছে। রমজানজুড়ে রসুনের ভরা মৌসুম থাকবে। সেক্ষেত্রে দাম ৫০ টাকায় নেমে যেতে পারে। তবে, চাইনিজ রসুনের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে থাকতে পারে। এছাড়া, আদার দাম কিছুটা বাড়তেও পারে, নাও পারে। বর্তমানে মিয়ানমার আদা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। ভারতীয়টা বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়।’

এ বিষয়ে কৃষিপণ্য আড়ত বণিক সমিতির সহসভাপতি মো. এ মাজেদ বলেন, পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলায় এবারের রমজানে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কথা নয়। এখন পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আছে। সেই সঙ্গে রসুনের মজুতও পর্যাপ্ত আছে। এছাড়া, বর্তমানে বাজার মিয়ানমার আদার দখলে রয়েছে। অন্যদিকে, চায়না আদার দাম অনেক বেশি। চায়না আদা ২০০ থেকে ২২০ টাকা পরতা পড়ে। অন্যদিকে, মিয়ানমার আদা ৬০ থেকে ৭০ টাকা পরতা পড়ে। সেই হিসাবে চায়না আদার দাম অনেক বেশি। এক্ষেত্রে রমজান উপলক্ষে মিয়ানমার আদার দাম কিছুটা বাড়তে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো মানের পেঁয়াজ ২৫ থেকে ২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা কেজি দরে। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। অন্যদিকে, মিয়ানমার আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে। চায়নাটা বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা দরে। আপাতত আমরা (শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা) চায়না আদা আনছি না। কারণ, সেখানে আদার দাম অনেক বেশি।

ব্যবসায়ীরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারবেন না- জানিয়ে এ মাজেদ বলেন, এবার ব্যবসায়ীরা কোনো সংকট তৈরি করতে পারবেন না, কোনো সুযোগই নেই। আমাদের এ সংগঠনের আওতায় মোট পাঁচটি পণ্য আছে। এর মধ্যে আদার দাম কিছুটা বাড়লেও বাকি চারটি (রসুন, পেঁয়াজ, হলুদ ও শুকনা মরিচ) পণ্যের দাম কোনো ভাবেই বাড়ার সম্ভবনা নেই। বর্তমানে শুকনা মরিচের দর ৩৫৫ থেকে ৩৬০ টাকা এবং হলুদ ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত এক সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম বাড়েনি, কমেওনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য (আইআইটি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন বলেন, এখন পর্যন্ত আদা, রসুন ও পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কারণ, বর্তমানে দেশি পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলছে। অন্যদিকে, পেঁয়াজের পাশাপাশি নতুন দেশি রসুনও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া আদারও যথেষ্ট মজুত আছে। সুতরাং, এসব পণ্যের দাম সেভাবে বাড়ার সম্ভবনা নেই।

তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বাড়াবে- সেই সম্ভাবনাও নেই। কারণ, এবার আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। রমজান মাসে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায় রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সব প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। আমরা আশা করছি দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যেই থাকবে।

রইস/১০

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রমজানে কমতে পারে পেঁয়াজ, রসুন, আদার দাম!

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন রমজান উপলক্ষে বাড়বে না পেঁয়াজের দাম। রসুন ও আদার দামও বাড়ার কোনো আভাস নেই। উল্টো মিলছে দাম কমার আভাস। ক্রেতাদের দাবি, দেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে ঈদ ও রমজানের আগে বাজারের দৃশ্যপট পাল্টে যায়। যার প্রভাবে ক্রেতাদের মধ্যে নাভিশ্বাস ওঠে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের দাবি, স্বাভাবিক বাজারে হঠাৎ কোনো পণ্যের সরবরাহ কমতি দেখা দিলে দাম বাড়তে থাকে। এজন্য ক্রেতা নিজেই দায়ী। কারণ, তারা রমজান ও ঈদ উপলক্ষে একসঙ্গে বেশি বেশি পণ্য কিনে মজুত করে রাখেন।

শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজান ও ঈদ এলে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের বাড়তি কদর তৈরি হয়। কারণ, মাংস থেকে শুরু করে সবকিছুতে এ তিন মসলার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতি বছর রমজানের আগে এ তিন পণ্যের দাম বাড়ে। কিন্তু এবার পর্যাপ্ত মজুত থাকায় স্বস্তিতে থাকবেন ক্রেতারা। বর্তমানে দেশীয় পেঁয়াজের পাশাপাশি ভারতীয় পেঁয়াজেরও সরবরাহ বেশ। এছাড়া এবার পেঁয়াজ, রসুনের ভরা মৌসুম চলছে। ফলে এ দুই পণ্যের দাম কমই থাকছে। অন্যদিকে, চাহিদা অনুযায়ী মিয়ানমার থেকেও পর্যাপ্ত আদা পাওয়া যাচ্ছে। ফলে এবার কোনো ভাবেই এ তিন পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

মিরপুর- ৬ নম্বর বাজারের ভাসমান আদা, রসুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ফোরকান উদ্দিন বলেন, বর্তমানে ভারতের পেঁয়াজের পাশাপাশি দেশীয় পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলছে। এজন্য আকৃতি ভেদে দেশি পেঁয়াজ বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। যেমন- বড় সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় আর ছোট সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। এছাড়া, ভারতীয় কালো জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।

তিনি বলেন, আদা ও রসুনের দামও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। চাইনিজ আদা আমদানির খরচ অনেক বেড়েছে। এজন্য এ আদা বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে। দাম বেশি হলেও এ আদা বাজারে নেই বললেই চলে। অন্যদিকে, মিয়ানমারের আদা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ চাইনিজ আদার তুলনায় দাম অর্ধেক। এছাড়া, দেশীয় পুরাতন রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। নতুন রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে, চাইনিজ রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজ-রসুন মালিক সমিতির প্রচার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত আছে পেঁয়াজ। রমজান উপলক্ষে পেঁয়াজ ৩০ টাকার মধ্যেই থাকবে। কারণ, বাজারে দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজে ভরপুর। অন্যদিকে, দেশি রসুনের দাম পাইকারি বাজারে বর্তমানে ৭০ টাকা হলেও রমজান মাসে দাম কমে ৫০ টাকায় নামতে পারে। কারণ, ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলার রসুন বাজারে উঠেছে। রমজানজুড়ে রসুনের ভরা মৌসুম থাকবে। সেক্ষেত্রে দাম ৫০ টাকায় নেমে যেতে পারে। তবে, চাইনিজ রসুনের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে থাকতে পারে। এছাড়া, আদার দাম কিছুটা বাড়তেও পারে, নাও পারে। বর্তমানে মিয়ানমার আদা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। ভারতীয়টা বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়।’

এ বিষয়ে কৃষিপণ্য আড়ত বণিক সমিতির সহসভাপতি মো. এ মাজেদ বলেন, পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলায় এবারের রমজানে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কথা নয়। এখন পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আছে। সেই সঙ্গে রসুনের মজুতও পর্যাপ্ত আছে। এছাড়া, বর্তমানে বাজার মিয়ানমার আদার দখলে রয়েছে। অন্যদিকে, চায়না আদার দাম অনেক বেশি। চায়না আদা ২০০ থেকে ২২০ টাকা পরতা পড়ে। অন্যদিকে, মিয়ানমার আদা ৬০ থেকে ৭০ টাকা পরতা পড়ে। সেই হিসাবে চায়না আদার দাম অনেক বেশি। এক্ষেত্রে রমজান উপলক্ষে মিয়ানমার আদার দাম কিছুটা বাড়তে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো মানের পেঁয়াজ ২৫ থেকে ২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা কেজি দরে। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। অন্যদিকে, মিয়ানমার আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে। চায়নাটা বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা দরে। আপাতত আমরা (শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা) চায়না আদা আনছি না। কারণ, সেখানে আদার দাম অনেক বেশি।

ব্যবসায়ীরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারবেন না- জানিয়ে এ মাজেদ বলেন, এবার ব্যবসায়ীরা কোনো সংকট তৈরি করতে পারবেন না, কোনো সুযোগই নেই। আমাদের এ সংগঠনের আওতায় মোট পাঁচটি পণ্য আছে। এর মধ্যে আদার দাম কিছুটা বাড়লেও বাকি চারটি (রসুন, পেঁয়াজ, হলুদ ও শুকনা মরিচ) পণ্যের দাম কোনো ভাবেই বাড়ার সম্ভবনা নেই। বর্তমানে শুকনা মরিচের দর ৩৫৫ থেকে ৩৬০ টাকা এবং হলুদ ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত এক সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম বাড়েনি, কমেওনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য (আইআইটি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন বলেন, এখন পর্যন্ত আদা, রসুন ও পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কারণ, বর্তমানে দেশি পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলছে। অন্যদিকে, পেঁয়াজের পাশাপাশি নতুন দেশি রসুনও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া আদারও যথেষ্ট মজুত আছে। সুতরাং, এসব পণ্যের দাম সেভাবে বাড়ার সম্ভবনা নেই।

তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বাড়াবে- সেই সম্ভাবনাও নেই। কারণ, এবার আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। রমজান মাসে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায় রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সব প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। আমরা আশা করছি দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যেই থাকবে।

রইস/১০