ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

ফেব্রুয়ারিতে ২০ শতাংশ কমেছে রপ্তানি ও প্রবাসী আয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অর্থনীতি ডেস্ক

জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় বাড়লেও ফেব্রুয়ারিতে কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। দেশে মার্কিন ডলার আসার প্রধান দুই উৎস রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়- দুটোই ফেব্রুয়ারি মাসে কমেছে। আর টানা তিন মাস ৫০০ কোটি ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি হলেও গত মাসে প্রায় ৫০ কোটি ডলার কম হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে আনতে সরকারের তদারকি বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছেন তারা।

গত নভেম্বর থেকে এ বছর জানুয়ারি মাস পর্যন্ত টানা তিন মাস প্রবাসী আয় ও রপ্তানী আয় বাড়ছিল। এতে দুই মাস ধরে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভও ছিল স্থিতিশীল। তবে, ফেব্রুয়ারি মাসে এই দুই আয় আগের মাসগুলোর চেয়ে কমেছে। রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যমতে, গত জানুয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে ৫১৩ কোটি ৬২ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আর ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি হয়েছে ৪৬৩ কোটি ডলারের পণ্য। জানুয়ারি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি কমেছে।

রপ্তানী আয় বাড়াতে বিদেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতগুলোকে দেশীয় পণ্যের প্রচারণা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসী আয়ও নিম্নমুখী। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ১৫৬ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলার। জানুয়ারি মাসে ছিল ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। সে হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে কমেছে ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। এক মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় কমার হার প্রায় ২০ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ শ্রমিক বিদেশে যাচ্ছেন। সে পরিমাণ বৈদেশিক আয় বৈধ পথে দেশে পাঠাচ্ছেন না তারা। রপ্তানী ও প্রবাসী আয় বাড়াতে সরকারকে আরো মনোযোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

রইস/৫

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফেব্রুয়ারিতে ২০ শতাংশ কমেছে রপ্তানি ও প্রবাসী আয়

আপডেট সময় : ০৯:১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩

অর্থনীতি ডেস্ক

জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় বাড়লেও ফেব্রুয়ারিতে কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। দেশে মার্কিন ডলার আসার প্রধান দুই উৎস রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়- দুটোই ফেব্রুয়ারি মাসে কমেছে। আর টানা তিন মাস ৫০০ কোটি ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি হলেও গত মাসে প্রায় ৫০ কোটি ডলার কম হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে আনতে সরকারের তদারকি বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছেন তারা।

গত নভেম্বর থেকে এ বছর জানুয়ারি মাস পর্যন্ত টানা তিন মাস প্রবাসী আয় ও রপ্তানী আয় বাড়ছিল। এতে দুই মাস ধরে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভও ছিল স্থিতিশীল। তবে, ফেব্রুয়ারি মাসে এই দুই আয় আগের মাসগুলোর চেয়ে কমেছে। রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যমতে, গত জানুয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে ৫১৩ কোটি ৬২ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আর ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি হয়েছে ৪৬৩ কোটি ডলারের পণ্য। জানুয়ারি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি কমেছে।

রপ্তানী আয় বাড়াতে বিদেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতগুলোকে দেশীয় পণ্যের প্রচারণা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসী আয়ও নিম্নমুখী। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ১৫৬ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলার। জানুয়ারি মাসে ছিল ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। সে হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে কমেছে ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। এক মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় কমার হার প্রায় ২০ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ শ্রমিক বিদেশে যাচ্ছেন। সে পরিমাণ বৈদেশিক আয় বৈধ পথে দেশে পাঠাচ্ছেন না তারা। রপ্তানী ও প্রবাসী আয় বাড়াতে সরকারকে আরো মনোযোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

রইস/৫