ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

কোম্পানীগঞ্জে গ্যাসের সন্ধান

নোয়াখালী প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪ ৯১ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
Gas detection :

নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জে শাহজাদপুর-সুন্দলপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৩ নম্বর কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। এখন চলছে ডিএসটি টেস্টের কাজ।

গতকাল শনিবার (৯ মার্চ) কূপটির সর্বনিম্ন স্তরে ডিএসটি টেস্ট শুরু হয়। এটি শেষ হলে জানা যাবে এখানে কী পরিমাণ গ্যাস মজুত আছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) প্রকল্প পরিচালক প্রিন্স মো. আল হেলাল বলেন, খনন কার্যক্রম শেষে শনিবার থেকে ডিএসটি টেস্ট শুরু হয়েছে। কূপটির মোট তিন হাজার ৩৮৫ মিটার গভীরে খনন করা হয়েছে।

‘যার মধ্যে লোয়ার জোনের ৩০৪১ মিটার থেকে ৩০৪৬ মিটার এবং ৩০৫৭ মিটার থেকে ৩০৬৪ মিটার পর্যন্ত পরীক্ষা চলছে। এরপরই অপর দুটি জোনের পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে। তারপর এখানে মোট গ্যাস মজুতের পরিমাণ জানা যাবে।’ – যোগ করেন তিনি।

৩ নম্বর কূপের ড্রিলিং ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের আশা ছিল, এখান থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করতে পারব। তবে লোয়ার জোনে গ্যাসের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, আরও ভালো কিছু আশা করতে পারি। বাকি দুটি জোনের টেস্ট শেষে মোট গ্যাসের মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারব।

এম.নাসির/১০

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কোম্পানীগঞ্জে গ্যাসের সন্ধান

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪
Gas detection :

নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জে শাহজাদপুর-সুন্দলপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৩ নম্বর কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। এখন চলছে ডিএসটি টেস্টের কাজ।

গতকাল শনিবার (৯ মার্চ) কূপটির সর্বনিম্ন স্তরে ডিএসটি টেস্ট শুরু হয়। এটি শেষ হলে জানা যাবে এখানে কী পরিমাণ গ্যাস মজুত আছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) প্রকল্প পরিচালক প্রিন্স মো. আল হেলাল বলেন, খনন কার্যক্রম শেষে শনিবার থেকে ডিএসটি টেস্ট শুরু হয়েছে। কূপটির মোট তিন হাজার ৩৮৫ মিটার গভীরে খনন করা হয়েছে।

‘যার মধ্যে লোয়ার জোনের ৩০৪১ মিটার থেকে ৩০৪৬ মিটার এবং ৩০৫৭ মিটার থেকে ৩০৬৪ মিটার পর্যন্ত পরীক্ষা চলছে। এরপরই অপর দুটি জোনের পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে। তারপর এখানে মোট গ্যাস মজুতের পরিমাণ জানা যাবে।’ – যোগ করেন তিনি।

৩ নম্বর কূপের ড্রিলিং ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের আশা ছিল, এখান থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করতে পারব। তবে লোয়ার জোনে গ্যাসের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, আরও ভালো কিছু আশা করতে পারি। বাকি দুটি জোনের টেস্ট শেষে মোট গ্যাসের মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারব।

এম.নাসির/১০