ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

সাগর-নদীতে ২০৫০ সালে মাছের চেয়ে বেশি থাকবে প্লাস্টিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩ ২০৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ফর জাস্টিস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকার খালের সংখ্যা ৬৫ থেকে নেমেছে তেতাল্লিশে নেমেছে। তাও আবার প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে এ তথ্য এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চের। তাই এলেন ম্যাকারথার ফাউন্ডেশন বলছে, জনসাধারণ সচেতন না হলে ২০৫০ সালে বিশ্বব্যাপী সাগর-নদীতে মাছের চেয়ে প্লাস্টিকের সংখ্যা বেশি থাকবে।

দেশের বুক চিরে বয়ে যাওয়া নদীর মধ্যে হাতে গোণা কয়েকটি ছাড়া বাকি সব এসেছে ভারত ও মিয়ানমার থেকে। বিভিন্ন প্রকার প্রতিবন্ধকতা যেমন- দূষণ, অব্যবস্থাপনা, লোভ আর অবহেলার যাঁতাকলে হারিয়ে গেছে দুই-তৃতীয়াংশ নদী। যা টিকে আছে তাও ধুঁকে ধুঁকে রয়েছে।

এখন সবচেয়ে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করছে প্লাস্টিক দূষণ। জার্মানির বার্লিন ভিত্তিক গবেষকদের নেটওয়ার্ক রিসার্চগেটে সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণা বলছে, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী হয়ে প্রতিবছর প্রায় ১-৩ বিলিয়ন মাইক্রোপ্লাস্টিক মিশছে বঙ্গোপসাগরে।

বুয়েটের ইন্সটিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্টের পরিচালক ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে প্লাস্টিক নিয়ে কোনরকম সচেতনতা নেই, কর্মসূচিও নেই। কখনও কখনও দু-একদিনের কর্মসূচি বা অভিযান হয় কিন্তু তারপরে আবার যেমন আছে তেমনই চলতে থাকে। যার জন্য এই সমস্ত মাইক্রো প্লাস্টিক মাছ খেয়ে মানব দেহে চলে আসছে। সেই সঙ্গে মানুষের দেহে ভয়াবহ রোগের সৃষ্টি হচ্ছে।

বৈশ্বিক সূচকে প্লাস্টিক বর্জ্য অব্যবস্থাপনায় শীর্ষ দশে বাংলাদেশ। যা চাক্ষুষ বুড়িগঙ্গার দুর্দশাই এর প্রমাণ। বর্ষা মৌসুম বাদে এখানে জলজ প্রাণের বাঁচার উপায় নেই।

ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, বুড়িগঙ্গায় অক্সিজেনের পরিমাণ ১ মি.লি. গ্রাম পার লিটারের থেকেও কম। যেখানে মাছ এবং মানুষের জন্যে ৫ মি.লি. গ্রাম পার লিটারের প্রয়োজন। এ কারণে বুড়িগঙ্গায় এখন সাকার মাছ দেখা যাচ্ছে, যা একুরিয়ামে থাকে, ময়লা খায়।

এম.নাসির/১৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সাগর-নদীতে ২০৫০ সালে মাছের চেয়ে বেশি থাকবে প্লাস্টিক

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকার খালের সংখ্যা ৬৫ থেকে নেমেছে তেতাল্লিশে নেমেছে। তাও আবার প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে এ তথ্য এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চের। তাই এলেন ম্যাকারথার ফাউন্ডেশন বলছে, জনসাধারণ সচেতন না হলে ২০৫০ সালে বিশ্বব্যাপী সাগর-নদীতে মাছের চেয়ে প্লাস্টিকের সংখ্যা বেশি থাকবে।

দেশের বুক চিরে বয়ে যাওয়া নদীর মধ্যে হাতে গোণা কয়েকটি ছাড়া বাকি সব এসেছে ভারত ও মিয়ানমার থেকে। বিভিন্ন প্রকার প্রতিবন্ধকতা যেমন- দূষণ, অব্যবস্থাপনা, লোভ আর অবহেলার যাঁতাকলে হারিয়ে গেছে দুই-তৃতীয়াংশ নদী। যা টিকে আছে তাও ধুঁকে ধুঁকে রয়েছে।

এখন সবচেয়ে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করছে প্লাস্টিক দূষণ। জার্মানির বার্লিন ভিত্তিক গবেষকদের নেটওয়ার্ক রিসার্চগেটে সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণা বলছে, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী হয়ে প্রতিবছর প্রায় ১-৩ বিলিয়ন মাইক্রোপ্লাস্টিক মিশছে বঙ্গোপসাগরে।

বুয়েটের ইন্সটিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্টের পরিচালক ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে প্লাস্টিক নিয়ে কোনরকম সচেতনতা নেই, কর্মসূচিও নেই। কখনও কখনও দু-একদিনের কর্মসূচি বা অভিযান হয় কিন্তু তারপরে আবার যেমন আছে তেমনই চলতে থাকে। যার জন্য এই সমস্ত মাইক্রো প্লাস্টিক মাছ খেয়ে মানব দেহে চলে আসছে। সেই সঙ্গে মানুষের দেহে ভয়াবহ রোগের সৃষ্টি হচ্ছে।

বৈশ্বিক সূচকে প্লাস্টিক বর্জ্য অব্যবস্থাপনায় শীর্ষ দশে বাংলাদেশ। যা চাক্ষুষ বুড়িগঙ্গার দুর্দশাই এর প্রমাণ। বর্ষা মৌসুম বাদে এখানে জলজ প্রাণের বাঁচার উপায় নেই।

ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, বুড়িগঙ্গায় অক্সিজেনের পরিমাণ ১ মি.লি. গ্রাম পার লিটারের থেকেও কম। যেখানে মাছ এবং মানুষের জন্যে ৫ মি.লি. গ্রাম পার লিটারের প্রয়োজন। এ কারণে বুড়িগঙ্গায় এখন সাকার মাছ দেখা যাচ্ছে, যা একুরিয়ামে থাকে, ময়লা খায়।

এম.নাসির/১৪